ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

যুদ্ধবিরতির পরও নিজ গ্রামে ফিরতে পারছেন না লেবাননের বাস্তুচ্যুত বাসিন্দারা

লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও এখনো নিজ বাসভূমে ফিরতে পারছেন না শত শত সাধারণ মানুষ। দক্ষিণ লেবাননের মাজদাল জুন গ্রামের কয়েকশ বাসিন্দা বর্তমানে টায়ার শহরের একটি পরিত্যক্ত স্কুলে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ইসরাইলি বাহিনীর অব্যাহত অবস্থান এবং ধ্বংসযজ্ঞের কারণে এসব মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন।

টায়ার শহরের মেয়র ইউসেফ শিহিমি জানিয়েছেন, বর্তমানে ওই স্কুলটিতে ৭৪টি পরিবারের প্রায় ২৫০ জন সদস্য আশ্রয় নিয়েছেন। যদিও যুদ্ধবিরতির পর দক্ষিণ লেবাননের লাখ লাখ মানুষ নিজ গ্রামে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন, তবে সীমান্ত সংলগ্ন বেশ কিছু এলাকায় এখনো ইসরাইলি সেনাদের অবৈধ উপস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষ সেখানে প্রবেশ করতে পারছেন না।

ভুক্তভোগী স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তারা কেবল নিজেদের এক টুকরো ভিটায় ফিরে যেতে চান। ঘরবাড়ি ধ্বংস হলেও তারা নিজ মাটিতে মাথা গোঁজার স্বপ্ন দেখছেন। তবে ইসরাইলি সেনাবাহিনী মাজদাল জুন গ্রামে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বাড়িঘর ও অবকাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে। যদিও ইসরাইলের দাবি তারা হিজবুল্লাহর সুড়ঙ্গ ধ্বংস করেছে, তবে এই দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে অভিহিত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোয়াইনঘাটে গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ হারালো ৩ স্কুলছাত্র

যুদ্ধবিরতির পরও নিজ গ্রামে ফিরতে পারছেন না লেবাননের বাস্তুচ্যুত বাসিন্দারা

আপডেট সময় : ০৬:২৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও এখনো নিজ বাসভূমে ফিরতে পারছেন না শত শত সাধারণ মানুষ। দক্ষিণ লেবাননের মাজদাল জুন গ্রামের কয়েকশ বাসিন্দা বর্তমানে টায়ার শহরের একটি পরিত্যক্ত স্কুলে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ইসরাইলি বাহিনীর অব্যাহত অবস্থান এবং ধ্বংসযজ্ঞের কারণে এসব মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন।

টায়ার শহরের মেয়র ইউসেফ শিহিমি জানিয়েছেন, বর্তমানে ওই স্কুলটিতে ৭৪টি পরিবারের প্রায় ২৫০ জন সদস্য আশ্রয় নিয়েছেন। যদিও যুদ্ধবিরতির পর দক্ষিণ লেবাননের লাখ লাখ মানুষ নিজ গ্রামে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন, তবে সীমান্ত সংলগ্ন বেশ কিছু এলাকায় এখনো ইসরাইলি সেনাদের অবৈধ উপস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষ সেখানে প্রবেশ করতে পারছেন না।

ভুক্তভোগী স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তারা কেবল নিজেদের এক টুকরো ভিটায় ফিরে যেতে চান। ঘরবাড়ি ধ্বংস হলেও তারা নিজ মাটিতে মাথা গোঁজার স্বপ্ন দেখছেন। তবে ইসরাইলি সেনাবাহিনী মাজদাল জুন গ্রামে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বাড়িঘর ও অবকাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে। যদিও ইসরাইলের দাবি তারা হিজবুল্লাহর সুড়ঙ্গ ধ্বংস করেছে, তবে এই দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে অভিহিত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।