বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপনের আমলের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নড়েচড়ে বসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে বিসিবির বর্তমান সভাপতির কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য ও রেকর্ডপত্র চেয়ে তিনটি পৃথক চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি। দুদকের উপপরিচালক মো. সাইদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এই চিঠিগুলো গত ১ জুলাই পাঠানো হয়।
দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নাজমুল হাসান পাপনের বিরুদ্ধে বিসিবি ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ এবং নিজ ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের বিষয়েও অনুসন্ধান চলছে। চিঠিতে পাপনের দায়িত্বকালীন সময়ের বিভিন্ন প্রকল্পের কার্যাদেশ, প্রকল্প পরিচালকদের তথ্য এবং ঠিকাদারদের বিস্তারিত বিবরণ চাওয়া হয়েছে।
বিসিবির বার্ষিক সাধারণ সভা, খেলোয়াড় বাছাই প্রক্রিয়া, পরিচালনা পর্ষদের সভার কার্যবিবরণী এবং ২০১২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত নিরীক্ষা প্রতিবেদনও তলব করেছে দুদক। এছাড়া বিপিএলের বিভিন্ন আসরের টিকিট বিক্রির হিসাব, বিজ্ঞাপন ও লজিস্টিকস সংক্রান্ত নথিপত্র এবং মুজিব শতবর্ষ উদযাপনের আয়-ব্যয়ের হিসাব পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নাজমুল হাসান পাপন সংসদ সদস্য থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে কমিশন।
রিপোর্টারের নাম 























