ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়ে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে এখন শোকার্ত মানুষের উপচে পড়া ভিড়। প্রিয় নেতা এবং হামলায় নিহত তাঁর পরিবারের সদস্যদের শেষবার দেখতে ও শ্রদ্ধা জানাতে দেশটির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ সেখানে সমবেত হয়েছেন। এই বিশাল শোকানুষ্ঠান কেবল একটি ধর্মীয় বা সামাজিক আচার নয়, বরং ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের কাছে এটি রাজনৈতিক দৃঢ়তা ও অটুট রাষ্ট্রব্যবস্থার এক শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ।
রাষ্ট্রীয় সূচি অনুযায়ী, খামেনির কফিন সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য তেহরানের ঐতিহাসিক ‘ফ্রিডম স্কয়ার’ বা আযাদী স্কয়ারে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে বিশাল সমাবেশের মাধ্যমে তাঁকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হবে। কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য হলো খামেনির গড়ে তোলা রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ধারাবাহিকতা এবং স্থিতিশীলতা বিশ্বের কাছে তুলে ধরা।
আগামী কয়েক দিনের জন্য বিস্তারিত দাফন সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ৭ জুলাই তাঁর মরদেহ শিয়া ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র নগরী কোমে নেওয়া হবে। ৮ জুলাই কফিন নিয়ে যাওয়া হবে ইরাকের কারবালা ও নাজাফ শহরে। সবশেষে ৯ জুলাই মরদেহ ফিরিয়ে আনা হবে খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে। সেখানে শিয়া ইসলামের অষ্টম ইমামের পবিত্র মাজার সংলগ্ন স্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























