ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি মোজতবা খামেনিকে নিয়ে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন-ইসরাইলি বিমান হামলায় বাবা নিহত হওয়ার পর থেকে ৫৬ বছর বয়সী এই নেতাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। এমনকি তেহরানে খামেনির রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠানেও তার অনুপস্থিতি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ইরানি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইসরাইলের পক্ষ থেকে ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি থাকায় কঠোর নিরাপত্তা বলয়ে রাখা হয়েছে মোজতবা খামেনিকে। ধারণা করা হচ্ছে, যে হামলায় তার বাবা নিহত হয়েছিলেন, সেই একই হামলায় তিনি নিজেও গুরুতর আহত হন। ওই হামলায় তিনি তার স্ত্রী, বোন ও ভগ্নিপতিসহ পরিবারের চার সদস্যকে হারিয়েছেন।
সশরীরে উপস্থিত না হলেও পর্দার আড়াল থেকেই রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন মোজতবা। নিয়মিত বিরতিতে তার লিখিত বার্তা ও নির্দেশনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে স্বাক্ষরিত এক দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক অনুমোদন করেছেন তিনি। এছাড়া বাবার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে এবং অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হুংকার দিয়েছেন এই নতুন শীর্ষ নেতা। বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপত্তার খাতিরে বর্তমানে তিনি কোনো গোপন ও সুরক্ষিত বাঙ্কার থেকে সামরিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত তদারকি করছেন।
রিপোর্টারের নাম 






















