ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

সেন্ট পিটার্সবার্গে রাশিয়ার বিশাল তেল টার্মিনালে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা

রাশিয়ার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি বৃহৎ তেল টার্মিনালে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই স্থাপনাটিকে রাশিয়ার যুদ্ধ পরিচালনার অর্থ যোগানদাতা অবকাঠামো হিসেবে বর্ণনা করেছেন। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটিতেও হামলার দাবি করেছে কিয়েভ।

সেন্ট পিটার্সবার্গের গভর্নর আলেকসান্দর বেগলভ তেল টার্মিনালে আঘাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইউক্রেন তাদের দূরপাল্লার ড্রোন হামলা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করেছে। ইউক্রেনের দাবি, এই ধারাবাহিক হামলার ফলে রাশিয়ার তেল শোধন সক্ষমতার প্রায় ৪৩ শতাংশ অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

মস্কো তাদের যুদ্ধ পরিচালনার ব্যয়ের জন্য জ্বালানি খাতের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এগুলোকে বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছে ইউক্রেন। এদিকে, হামলার কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নতুন একটি বিলে সই করে সেটিকে আইনে পরিণত করেছেন। জেলেনস্কি জানান, সেন্ট পিটার্সবার্গের এই লক্ষ্যবস্তুগুলো ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় ৮৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ের আচরণ ‘লজ্জাজনক’, ক্ষুব্ধ ফুটবল কিংবদন্তিরা

সেন্ট পিটার্সবার্গে রাশিয়ার বিশাল তেল টার্মিনালে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা

আপডেট সময় : ১১:৫৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

রাশিয়ার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি বৃহৎ তেল টার্মিনালে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই স্থাপনাটিকে রাশিয়ার যুদ্ধ পরিচালনার অর্থ যোগানদাতা অবকাঠামো হিসেবে বর্ণনা করেছেন। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটিতেও হামলার দাবি করেছে কিয়েভ।

সেন্ট পিটার্সবার্গের গভর্নর আলেকসান্দর বেগলভ তেল টার্মিনালে আঘাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইউক্রেন তাদের দূরপাল্লার ড্রোন হামলা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করেছে। ইউক্রেনের দাবি, এই ধারাবাহিক হামলার ফলে রাশিয়ার তেল শোধন সক্ষমতার প্রায় ৪৩ শতাংশ অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

মস্কো তাদের যুদ্ধ পরিচালনার ব্যয়ের জন্য জ্বালানি খাতের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এগুলোকে বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছে ইউক্রেন। এদিকে, হামলার কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নতুন একটি বিলে সই করে সেটিকে আইনে পরিণত করেছেন। জেলেনস্কি জানান, সেন্ট পিটার্সবার্গের এই লক্ষ্যবস্তুগুলো ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় ৮৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।