মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা। তবে এই কান্না পরাজয়ের গ্লানির চেয়েও বেশি ছিল বীরত্বের। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে যেভাবে লড়েছে মাত্র ৫ লাখ মানুষের এই দ্বীপদেশটি, তা ফুটবলের ইতিহাসে দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৬৭ নম্বরে থাকা দলটি প্রমাণ করেছে, সাহস ও ইচ্ছাশক্তি থাকলে যে কোনো পরাশক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানানো সম্ভব।
পুরো ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগকে রীতিমতো তটস্থ করে রেখেছিল কেপ ভার্দের রক্ষণভাগ। বিশেষ করে ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনিয়া একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে আর্জেন্টিনাকে হতাশ করেন। ম্যাচের ২৯ মিনিটে লিওনেল মেসির অসাধারণ এক গোলে আর্জেন্টিনা লিড নিলেও দমে যায়নি কেপ ভার্দে। তারা পাল্টা আক্রমণে গোল শোধ করে ম্যাচে সমতা ফেরায়।
অতিরিক্ত সময়ে খেলা গড়ালে আর্জেন্টিনা আবারও এগিয়ে যায়, কিন্তু অদম্য কেপ ভার্দে দ্বিতীয়বার গোল শোধ করে বিশ্বকে চমকে দেয়। যদিও শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি তারা জিততে পারেনি, কিন্তু বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ঘাম ছুটিয়ে দিয়ে তারা মাঠ ছেড়েছে মাথা উঁচু করেই। এই হার যেন তাদের জন্য পরাজয় নয়, বরং এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর অনন্য গল্প।
রিপোর্টারের নাম 
























