ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

ভালুকায় বাড়ছে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম: অভাবের তাড়নায় বই ছেড়ে কাজে নামছে শিশুরা

ময়মনসিংহের ভালুকায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশুশ্রম। যে বয়সে শিশুদের হাতে বই-খাতা থাকার কথা, সেই বয়সে অভাবের তাড়নায় তারা লোহা কাটার যন্ত্র বা হোটেলের ঝাড়ু হাতে তুলে নিতে বাধ্য হচ্ছে। স্বল্প মজুরিতে পাওয়া যায় বলে অনেক প্রতিষ্ঠানের মালিকও আইনের তোয়াক্কা না করে এসব শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োগ দিচ্ছেন।

উপজেলার বিভিন্ন ডেন্টিং-পেন্টিং ওয়ার্কশপ, অটো গ্যারেজ এবং রেস্তোরাঁগুলোতে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুরা দীর্ঘ সময় ধরে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করছে। অভাবী পরিবারের এই শিশুরা দৈনিক ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ করেও নামমাত্র পারিশ্রমিক পাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে কাজ শেখার দোহাই দিয়ে তাদের কোনো বেতনই দেওয়া হচ্ছে না।

সমাজকর্মীরা বলছেন, দারিদ্র্যের কারণে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের স্কুলে না পাঠিয়ে কর্মক্ষেত্রে পাঠাচ্ছেন। তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি শিশুদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, শিশুশ্রম বন্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাকেরগঞ্জের মুগা খান মসজিদ: চারশ বছরের পুরনো মুঘল স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন

ভালুকায় বাড়ছে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম: অভাবের তাড়নায় বই ছেড়ে কাজে নামছে শিশুরা

আপডেট সময় : ১০:৪৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

ময়মনসিংহের ভালুকায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশুশ্রম। যে বয়সে শিশুদের হাতে বই-খাতা থাকার কথা, সেই বয়সে অভাবের তাড়নায় তারা লোহা কাটার যন্ত্র বা হোটেলের ঝাড়ু হাতে তুলে নিতে বাধ্য হচ্ছে। স্বল্প মজুরিতে পাওয়া যায় বলে অনেক প্রতিষ্ঠানের মালিকও আইনের তোয়াক্কা না করে এসব শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োগ দিচ্ছেন।

উপজেলার বিভিন্ন ডেন্টিং-পেন্টিং ওয়ার্কশপ, অটো গ্যারেজ এবং রেস্তোরাঁগুলোতে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুরা দীর্ঘ সময় ধরে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করছে। অভাবী পরিবারের এই শিশুরা দৈনিক ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ করেও নামমাত্র পারিশ্রমিক পাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে কাজ শেখার দোহাই দিয়ে তাদের কোনো বেতনই দেওয়া হচ্ছে না।

সমাজকর্মীরা বলছেন, দারিদ্র্যের কারণে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের স্কুলে না পাঠিয়ে কর্মক্ষেত্রে পাঠাচ্ছেন। তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি শিশুদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, শিশুশ্রম বন্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।