২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়েছে। এবার দেশের সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এইচএসসির লিখিত পরীক্ষা আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে এবং ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হবে।
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবার এইচএসসি পরীক্ষায় সারা দেশের দুই হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি প্রতিষ্ঠানের মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন, যা গতবারের তুলনায় ২২ হাজার ৭৬৬ জন বেশি।
সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। এছাড়া মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে দুই লাখ ৮৬৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন, যার মধ্যে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৯২ হাজার ৯০৫ জন। সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রীর সংখ্যা এবং কারিগরি ও মাদরাসা বোর্ডে ছাত্রের সংখ্যা বেশি।
আজ সাধারণ ও কারিগরি বোর্ডে বাংলা এবং মাদরাসা বোর্ডে কুরআন মাজিদ বিষয়ের মধ্য দিয়ে পরীক্ষা পর্ব শুরু হচ্ছে। এবার দুই হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪৫টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪০টিই ঢাকা বিভাগে অবস্থিত। এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশ্নপত্র বিতরণ, খাতা সংরক্ষণ, ক্যালকুলেটরের ব্যবহার, শৌচাগার তল্লাশিসহ ৩৫টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই এবং সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যদি প্রশ্নফাঁসের মতো কোনো ঘটনা ঘটে, তবে সারা দেশে সেদিনের পরীক্ষা স্থগিত করে পরবর্তীতে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
গতকাল বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন জানান, কোনো পরীক্ষা কেন্দ্রে নকল ধরা পড়লে শুধু পরীক্ষার্থী নয়, ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ২০২৮ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে।
নতুন শিক্ষাক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শিক্ষাক্রমকে এমনভাবে পরিবর্তন করা হচ্ছে যেখানে পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি সংস্কৃতি ও ক্রীড়াকেও প্রাধান্য দেওয়া হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























