ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

ফুলপুরে ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ: খরিয়া নদীর নড়বড়ে সাঁকোই একমাত্র ভরসা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার পয়ারী ইউনিয়নে একটি স্থায়ী সেতুর অভাবে ১০টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। খরিয়া নদী পারাপারের জন্য এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা এখন নিজেদের অর্থায়নে নির্মিত একটি জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকো। সেতুটির একাংশ ভেঙে যাওয়ায় বর্তমানে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে স্থবিরতা নেমে এসেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় ১৫ বছর আগে যাতায়াতের সুবিধার্থে এলাকাবাসী সম্মিলিত উদ্যোগে এই অস্থায়ী সাঁকোটি নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু সংস্কারের অভাবে এটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শাকসবজি ও কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য পরিচিত গুপ্তেরগাঁও গ্রামের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে পারছেন না। স্থায়ী সেতুর অভাবে তাদের বিকল্প পথে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরতে হচ্ছে, যা সময় ও খরচ উভয়ই বাড়িয়ে দিচ্ছে।

উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, খরিয়া নদীর ওপর ৯৫ মিটার দীর্ঘ একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। পয়ারী কালীবাড়ি থেকে গুপ্তেরগাঁও পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়নের প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই সেতুটি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। দ্রুত বরাদ্দ পাওয়া গেলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের এই যাতায়াত সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুনে নারী-শিশু নির্যাতনের শিকার ৩৩৩ জন

ফুলপুরে ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ: খরিয়া নদীর নড়বড়ে সাঁকোই একমাত্র ভরসা

আপডেট সময় : ১০:২৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার পয়ারী ইউনিয়নে একটি স্থায়ী সেতুর অভাবে ১০টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। খরিয়া নদী পারাপারের জন্য এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা এখন নিজেদের অর্থায়নে নির্মিত একটি জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকো। সেতুটির একাংশ ভেঙে যাওয়ায় বর্তমানে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে স্থবিরতা নেমে এসেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় ১৫ বছর আগে যাতায়াতের সুবিধার্থে এলাকাবাসী সম্মিলিত উদ্যোগে এই অস্থায়ী সাঁকোটি নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু সংস্কারের অভাবে এটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শাকসবজি ও কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য পরিচিত গুপ্তেরগাঁও গ্রামের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে পারছেন না। স্থায়ী সেতুর অভাবে তাদের বিকল্প পথে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরতে হচ্ছে, যা সময় ও খরচ উভয়ই বাড়িয়ে দিচ্ছে।

উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, খরিয়া নদীর ওপর ৯৫ মিটার দীর্ঘ একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। পয়ারী কালীবাড়ি থেকে গুপ্তেরগাঁও পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়নের প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই সেতুটি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। দ্রুত বরাদ্দ পাওয়া গেলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের এই যাতায়াত সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।