ঢাকা ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

পিরোজপুরের নেছারাবাদে জাহাজ নির্মাণ শিল্পের নতুন দিগন্ত: ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলা জাহাজ নির্মাণ শিল্পের এক সম্ভাবনাময় কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যা নদী ও এর শাখা খালের তীরে গড়ে উঠেছে ২১টি ডকইয়ার্ড, যেখানে বিশ্বমানের জাহাজ তৈরি হচ্ছে। স্বরূপকাঠির ছারছিনা, কালিবাড়ি, বরছাকাঠি, বালিহারি, ডুবিরহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় এই শিল্প প্রসার লাভ করছে। এখানে স্টিল বডি লঞ্চ, কার্গো, ট্রলার এবং ছোট-বড় বিভিন্ন নৌযান নির্মিত হচ্ছে।

এই শিল্পে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। দক্ষ কারিগরদের হাতে নির্মিত জাহাজগুলো শুধু দেশের অভ্যন্তরেই নয়, আন্তর্জাতিক রুটেও পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছে। ডকইয়ার্ড সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঢাকা, চট্টগ্রাম বা সিলেটের তুলনায় এখানে অনেক কম খরচে এবং স্বল্প সময়ে উন্নতমানের জাহাজ নির্মাণ সম্ভব। বর্তমানে তিন থেকে সাড়ে তিনশ ফুট পর্যন্ত বড় আকারের জাহাজও এখানে তৈরি হচ্ছে।

তবে, এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত মালিক, শ্রমিক ও স্থানীয়রা মনে করছেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং সহজ ঋণ সুবিধা পেলে এই শিল্প আরও বহুদূর এগিয়ে যাবে। প্রায় ৩২ বছর ধরে নদীতীরে গড়ে ওঠা এই ডকইয়ার্ডগুলো কাঠমিস্ত্রি, ওয়েল্ডার, রংমিস্ত্রি এবং লোহার কারিগরসহ হাজার হাজার মানুষের জীবিকার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিস্ত্রী সৈয়দ আলী বলেন, সরকার নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করলে তারা আরও দক্ষতার সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের জাহাজ নির্মাণ করতে পারবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপির দায়ে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আদালতের রায়ের পর তৃণমূল নেতাকর্মীদের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

পিরোজপুরের নেছারাবাদে জাহাজ নির্মাণ শিল্পের নতুন দিগন্ত: ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান

আপডেট সময় : ০৫:২০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলা জাহাজ নির্মাণ শিল্পের এক সম্ভাবনাময় কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যা নদী ও এর শাখা খালের তীরে গড়ে উঠেছে ২১টি ডকইয়ার্ড, যেখানে বিশ্বমানের জাহাজ তৈরি হচ্ছে। স্বরূপকাঠির ছারছিনা, কালিবাড়ি, বরছাকাঠি, বালিহারি, ডুবিরহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় এই শিল্প প্রসার লাভ করছে। এখানে স্টিল বডি লঞ্চ, কার্গো, ট্রলার এবং ছোট-বড় বিভিন্ন নৌযান নির্মিত হচ্ছে।

এই শিল্পে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। দক্ষ কারিগরদের হাতে নির্মিত জাহাজগুলো শুধু দেশের অভ্যন্তরেই নয়, আন্তর্জাতিক রুটেও পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছে। ডকইয়ার্ড সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঢাকা, চট্টগ্রাম বা সিলেটের তুলনায় এখানে অনেক কম খরচে এবং স্বল্প সময়ে উন্নতমানের জাহাজ নির্মাণ সম্ভব। বর্তমানে তিন থেকে সাড়ে তিনশ ফুট পর্যন্ত বড় আকারের জাহাজও এখানে তৈরি হচ্ছে।

তবে, এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত মালিক, শ্রমিক ও স্থানীয়রা মনে করছেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং সহজ ঋণ সুবিধা পেলে এই শিল্প আরও বহুদূর এগিয়ে যাবে। প্রায় ৩২ বছর ধরে নদীতীরে গড়ে ওঠা এই ডকইয়ার্ডগুলো কাঠমিস্ত্রি, ওয়েল্ডার, রংমিস্ত্রি এবং লোহার কারিগরসহ হাজার হাজার মানুষের জীবিকার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিস্ত্রী সৈয়দ আলী বলেন, সরকার নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করলে তারা আরও দক্ষতার সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের জাহাজ নির্মাণ করতে পারবেন।