বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ মন্তব্য করেছেন যে, শেখ হাসিনার আমলে বাংলাদেশের আদালত ও আইনি বিচারপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেন, সেই সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আদালতের রায় আসতো এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের কলম থেকে জজ সাহেবদের রায় লেখা হতো।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে নবনির্বাচিত সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজভী আহমেদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “এখন আমাদের একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে, যেখানে আইনজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আদালত যেন আর কখনো হাসিনার আদালতে পরিণত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, ন্যায্য ও ন্যায়বিচার আমাদের সমাজ ও কৃষ্টি-কালচারের ঐতিহ্যগত অংশ এবং এই ধারণা বহু প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালির মধ্যে বিদ্যমান। এই ন্যায়বিচারকে সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত করার প্রধান দায়িত্ব বিশেষ করে তরুণ আইনজীবীদের ওপর বর্তায়।
রিজভী বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টান্ত টেনে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যেকটি কাজের মধ্যে আমি আইনের শাসনের বহিঃপ্রকাশ দেখছি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি বহর নিয়ে যাচ্ছেন, অথচ ট্রাফিক সিগন্যালে তিনি গোটা বহর নিয়ে দাঁড়িয়ে গেছেন—এটা তো সুশাসনের একটি বড় ইঙ্গিত।” তিনি আরও বলেন, এই সুশাসনের পরিধি আরও বিস্তৃত করতে হবে এবং সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান দায়িত্ব আইনজীবীদের।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল’ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন তাদের সভাপতি মোহাম্মদ আলী সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এম মাহবুব উদ্দীন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























