ঢাকা ০২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের প্রয়োজনীয়তা: সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে ভিটামিন ‘এ’ একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। শরীর নিজে এই ভিটামিন তৈরি করতে পারে না বলে খাবারের পাশাপাশি অনেক সময় সাপ্লিমেন্টের মাধ্যমে এটি গ্রহণ করতে হয়। বিশেষ করে শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধে এবং শরীরের টিস্যু ও কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে এটি বিশেষ ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আওতায় শিশুদের বয়সভেদে নীল ও লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সিদের জন্য নীল রঙের এবং ১ থেকে ৫ বছর বয়সি শিশুদের জন্য লাল রঙের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যাপসুল নির্ধারিত থাকে। তবে মনে রাখতে হবে, শিশুদের কখনোই খালি পেটে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো উচিত নয়; ভরা পেটে খাওয়ানোই সবচেয়ে নিরাপদ।

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণত সুষম খাবার থেকেই ভিটামিন ‘এ’-এর চাহিদা পূরণ হয়। তবে শরীরে তীব্র ঘাটতি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যেতে পারে। মনে রাখতে হবে, অতিরিক্ত ভিটামিন ‘এ’ গ্রহণ শরীরের জন্য বিষাক্ত হতে পারে, যা লিভারের ক্ষতিসহ নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত ভিটামিন গ্রহণ গর্ভস্থ শিশুর জন্মগত ত্রুটির কারণ হতে পারে। তাই যেকোনো সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নিয়ে আল্টিমেটাম: ৫ আগস্টের মধ্যে না খুললে জনগণই খুলে দেবে

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের প্রয়োজনীয়তা: সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা

আপডেট সময় : ১২:৪১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে ভিটামিন ‘এ’ একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। শরীর নিজে এই ভিটামিন তৈরি করতে পারে না বলে খাবারের পাশাপাশি অনেক সময় সাপ্লিমেন্টের মাধ্যমে এটি গ্রহণ করতে হয়। বিশেষ করে শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধে এবং শরীরের টিস্যু ও কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে এটি বিশেষ ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আওতায় শিশুদের বয়সভেদে নীল ও লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সিদের জন্য নীল রঙের এবং ১ থেকে ৫ বছর বয়সি শিশুদের জন্য লাল রঙের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যাপসুল নির্ধারিত থাকে। তবে মনে রাখতে হবে, শিশুদের কখনোই খালি পেটে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো উচিত নয়; ভরা পেটে খাওয়ানোই সবচেয়ে নিরাপদ।

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণত সুষম খাবার থেকেই ভিটামিন ‘এ’-এর চাহিদা পূরণ হয়। তবে শরীরে তীব্র ঘাটতি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যেতে পারে। মনে রাখতে হবে, অতিরিক্ত ভিটামিন ‘এ’ গ্রহণ শরীরের জন্য বিষাক্ত হতে পারে, যা লিভারের ক্ষতিসহ নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত ভিটামিন গ্রহণ গর্ভস্থ শিশুর জন্মগত ত্রুটির কারণ হতে পারে। তাই যেকোনো সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।