ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

উপসাগরীয় দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বন্ধের কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের

ইরান আবারও প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোকে তাদের ভূখণ্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক সহায়তা না দেওয়ার জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তেহরানের দাবি, এসব দেশের ঘাঁটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে, যা পূর্ববর্তী যুদ্ধবিরতি চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোস্তফা খোশচেশম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরান বহুবার পারস্য উপসাগর-সংলগ্ন দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডে’ সহযোগিতা বন্ধ করার জন্য সময় ও সুযোগ দিয়েছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে ওই দেশগুলোতে এক ডজনেরও বেশি মার্কিন ট্যাংকার বিমান অবস্থান করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র সেসব ভূখণ্ডকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করছে।

খোশচেশম আরও উল্লেখ করেন, কিছু দেশে বিমানঘাঁটির রানওয়ে পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে, যা যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন। তাঁর ভাষ্যমতে, যুদ্ধবিরতির পর উভয় পক্ষেরই সব ধরনের শত্রুতামূলক কার্যক্রম বন্ধ রাখার কথা ছিল। তিনি আরও দাবি করেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ইরানের হরমুজ প্রণালির একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সে অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

অধ্যাপক খোশচেশম তাঁর বক্তব্যে জোর দেন, “আমরা একটি যুদ্ধ-পরবর্তী যুদ্ধবিরতি চুক্তির কথা বলছি। ওই সমঝোতা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র খুব স্পষ্টভাবেই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।” এই সতর্কবার্তা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের ইশতেহারে শরীয়া বা ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থার উল্লেখ নেই: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উপসাগরীয় দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বন্ধের কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের

আপডেট সময় : ১০:০৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

ইরান আবারও প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোকে তাদের ভূখণ্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক সহায়তা না দেওয়ার জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তেহরানের দাবি, এসব দেশের ঘাঁটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে, যা পূর্ববর্তী যুদ্ধবিরতি চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোস্তফা খোশচেশম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরান বহুবার পারস্য উপসাগর-সংলগ্ন দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডে’ সহযোগিতা বন্ধ করার জন্য সময় ও সুযোগ দিয়েছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে ওই দেশগুলোতে এক ডজনেরও বেশি মার্কিন ট্যাংকার বিমান অবস্থান করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র সেসব ভূখণ্ডকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করছে।

খোশচেশম আরও উল্লেখ করেন, কিছু দেশে বিমানঘাঁটির রানওয়ে পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে, যা যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন। তাঁর ভাষ্যমতে, যুদ্ধবিরতির পর উভয় পক্ষেরই সব ধরনের শত্রুতামূলক কার্যক্রম বন্ধ রাখার কথা ছিল। তিনি আরও দাবি করেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ইরানের হরমুজ প্রণালির একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সে অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

অধ্যাপক খোশচেশম তাঁর বক্তব্যে জোর দেন, “আমরা একটি যুদ্ধ-পরবর্তী যুদ্ধবিরতি চুক্তির কথা বলছি। ওই সমঝোতা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র খুব স্পষ্টভাবেই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।” এই সতর্কবার্তা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে।