ইরানের বিরুদ্ধে আবারও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ওয়াশিংটন প্রয়োজনে তেহরানের ওপর সামরিক চাপ কয়েক গুণ বাড়াতে প্রস্তুত। পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তার শুরু করা সামরিক অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, এমন একটি সময় আসতে পারে যখন আলোচনার বা যুক্তিসঙ্গত আচরণের আর কোনো সুযোগ থাকবে না। সেই মুহূর্তে মার্কিন বাহিনী অত্যন্ত সফলভাবে তাদের অভিযান শেষ করতে বাধ্য হবে। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যদি সত্যিই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তবে মানচিত্র থেকে ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতে পারে।
তবে ট্রাম্পের এই কড়া বার্তাকে কেবল একটি রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন অনেক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক। অস্ট্রিয়ার সাবেক সামরিক অ্যাটাশে উলফগ্যাং পুসতাই মনে করেন, ট্রাম্পের এই মন্তব্য আক্ষরিক অর্থে যুদ্ধের দামামা নয়, বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক জনতাকে তুষ্ট করার একটি প্রচেষ্টা। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এ ধরনের হুমকি ট্রাম্পের পরিচিত কৌশল।
পুসতাই আরও বিশ্লেষণ করেন যে, ট্রাম্প খুব ভালো করেই জানেন অতিরিক্ত সামরিক চাপ বা নতুন কোনো হামলা চালিয়ে ইরানের বড় ধরনের ক্ষতি করা সহজ নয়। তার মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে চাপে রাখা এবং প্রয়োজনে হরমুজ প্রণালিতে পুনরায় নৌ-অবরোধ আরোপ করার মতো কঠোর পদক্ষেপের পথ খোলা রাখা। তবে এ ধরনের উত্তেজনা উপসাগরীয় দেশগুলোকে আবারও একটি আঞ্চলিক অস্থিরতার মুখে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এই বিশ্লেষক।
রিপোর্টারের নাম 























