ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

চীনের বাজারে যাচ্ছে বাংলাদেশের কাঁঠাল: কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার

বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল এখন থেকে সরাসরি চীনের বাজারে রপ্তানি হবে। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের অংশ হিসেবে এই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়, যা বাংলাদেশের কৃষি পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

চীনের বিশাল বাজারে বাংলাদেশি কাঁঠালের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এর আগে আম রপ্তানির প্রক্রিয়া শুরু হলেও এখন কাঁঠাল রপ্তানির আনুষ্ঠানিক পথ সুগম হলো। এর ফলে স্থানীয় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবেন এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন পথ তৈরি হবে। তবে আন্তর্জাতিক মানের প্যাকেজিং, উন্নত সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা এই মুহূর্তে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে কাঁঠালের বাজার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১২ সালে যেখানে এই বাজার ছিল ২০০ কোটি ডলারের, ২০২৩ সালে তা বেড়ে ৩৭০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো এই বাজারে আধিপত্য বিস্তার করলেও বাংলাদেশের গুণগত মানের কাঁঠাল চীনের বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

চীনের বাজারে যাচ্ছে বাংলাদেশের কাঁঠাল: কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার

আপডেট সময় : ০৮:৪৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল এখন থেকে সরাসরি চীনের বাজারে রপ্তানি হবে। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের অংশ হিসেবে এই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়, যা বাংলাদেশের কৃষি পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

চীনের বিশাল বাজারে বাংলাদেশি কাঁঠালের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এর আগে আম রপ্তানির প্রক্রিয়া শুরু হলেও এখন কাঁঠাল রপ্তানির আনুষ্ঠানিক পথ সুগম হলো। এর ফলে স্থানীয় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবেন এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন পথ তৈরি হবে। তবে আন্তর্জাতিক মানের প্যাকেজিং, উন্নত সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা এই মুহূর্তে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে কাঁঠালের বাজার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১২ সালে যেখানে এই বাজার ছিল ২০০ কোটি ডলারের, ২০২৩ সালে তা বেড়ে ৩৭০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো এই বাজারে আধিপত্য বিস্তার করলেও বাংলাদেশের গুণগত মানের কাঁঠাল চীনের বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।