আষাঢ়ের মাঝামাঝিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রোববারও দেশের ছয়টি জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। এতে তীব্র ভ্যাপসা গরমে জনজীবনে চরম অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। তবে, আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী সোমবার থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে এবং গরমের দাপট কিছুটা কমতে পারে।
আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম জানান, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে যাওয়ায় দেশজুড়ে এই তাপপ্রবাহ চলছে। সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়লে তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে। আজ রাতেও রাজধানীতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ষড়ঋতুর দেশ হলেও বর্তমানে প্রকৃতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে, এখন মূলত শীত ও গরম এই দুই ঋতুতে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। এই সময়ে সূর্যের খাড়াভাবে তাপ বিকিরণ এবং দিনের পরিধি বড় হওয়ায় বৃষ্টিপাত না হলেই তাপপ্রবাহ শুরু হয়। তাপপ্রবাহের সঙ্গে দক্ষিণা বাতাসে বেশি আর্দ্রতার কারণে সারাদেশে এই অসহনীয় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে।
এদিকে, গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে সারাদেশে বেড়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং অসহনীয় গরমে মানুষ ছটফট করছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগের দিন আট জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে গেলেও রোববার ঢাকা, টাঙ্গাইল, রাজশাহী, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা এবং কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যায় এবং আজ তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে।
এদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে ৩৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিন ছিল ৩৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে আগের দিনের তুলনায় রাজধানীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়ে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে, যা শনিবার ছিল ৩৫.৪ ডিগ্রি।
অন্যদিকে, সারাদেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অস্বাভাবিক হারে কমেছে। রোববার সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ৬০ মিলিমিটার; এদিন রাজধানীতে কোনো বৃষ্টি হয়নি।
রিপোর্টারের নাম 























