ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

যমুনার তীব্র ভাঙনে হুমকির মুখে সিরাজগঞ্জের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনপদ

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ইউনিয়নের বর্নি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি যেকোনো সময় নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। গত কয়েক দিনে জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে নদীর তীররক্ষা বাঁধের বেশ কিছু অংশ ধসে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হচ্ছে। শুষ্ক ও বর্ষা উভয় মৌসুমেই প্রভাবশালী চক্র বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে এবং পাড় ধসে পড়ছে। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, যমুনার পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও উজান থেকে আসা ঢলে কিছু কিছু পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জিও ব্যাগ ও বালুর বস্তা ফেলার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে স্থানীয়রা ভাঙন রোধে স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। জেলার কাজীপুর, সদর, বেলকুচি ও চৌহালী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিবছরই এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হচ্ছে, ফলে নিঃস্ব হচ্ছে শত শত পরিবার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘জুলাই জাদুঘর’ অবিলম্বে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি

যমুনার তীব্র ভাঙনে হুমকির মুখে সিরাজগঞ্জের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনপদ

আপডেট সময় : ০৭:৩১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ইউনিয়নের বর্নি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি যেকোনো সময় নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। গত কয়েক দিনে জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে নদীর তীররক্ষা বাঁধের বেশ কিছু অংশ ধসে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হচ্ছে। শুষ্ক ও বর্ষা উভয় মৌসুমেই প্রভাবশালী চক্র বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে এবং পাড় ধসে পড়ছে। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, যমুনার পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও উজান থেকে আসা ঢলে কিছু কিছু পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জিও ব্যাগ ও বালুর বস্তা ফেলার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে স্থানীয়রা ভাঙন রোধে স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। জেলার কাজীপুর, সদর, বেলকুচি ও চৌহালী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিবছরই এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হচ্ছে, ফলে নিঃস্ব হচ্ছে শত শত পরিবার।