ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

জাবিতে মাথাপিছু বার্ষিক চিকিৎসা বরাদ্দ মাত্র ৪৩ টাকা, বাজেট বৃদ্ধির দাবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য মাথাপিছু বার্ষিক চিকিৎসা বরাদ্দ অত্যন্ত নগণ্য বলে দাবি করেছেন জাকসু মনোনীত সিনেট সদস্য ফেরদৌস আল হাসান। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম বার্ষিক সিনেট সভায় বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি জানান, বর্তমান বাজেটে জনপ্রতি বার্ষিক চিকিৎসা বরাদ্দ মাত্র ৪৩ টাকা ৭৫ পয়সা, যা দিয়ে মানসম্মত সেবা পাওয়া অসম্ভব।

ফেরদৌস আল হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১৬ হাজার মানুষের বিপরীতে চিকিৎসা খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ৭০ লাখ টাকা। এটি মাসিক হিসেবে মাত্র ৩ টাকা ৬৪ পয়সা। আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব এবং ওষুধের অপ্রতুলতার কথা উল্লেখ করে তিনি এই বরাদ্দ অন্তত ১০ গুণ বাড়ানোর জোর দাবি জানান।

সিনেট সভায় উপস্থিত অন্যান্য সদস্যরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি আর্থিক বরাদ্দ বাড়ানোর বিষয়ে একমত পোষণ করেন। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা অধিক গুরুত্ব পাওয়া উচিত বলে সভায় মত প্রকাশ করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষ জনশক্তি গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান: বুয়েটে নবীন বরণ সম্পন্ন

জাবিতে মাথাপিছু বার্ষিক চিকিৎসা বরাদ্দ মাত্র ৪৩ টাকা, বাজেট বৃদ্ধির দাবি

আপডেট সময় : ০৮:১৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য মাথাপিছু বার্ষিক চিকিৎসা বরাদ্দ অত্যন্ত নগণ্য বলে দাবি করেছেন জাকসু মনোনীত সিনেট সদস্য ফেরদৌস আল হাসান। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম বার্ষিক সিনেট সভায় বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি জানান, বর্তমান বাজেটে জনপ্রতি বার্ষিক চিকিৎসা বরাদ্দ মাত্র ৪৩ টাকা ৭৫ পয়সা, যা দিয়ে মানসম্মত সেবা পাওয়া অসম্ভব।

ফেরদৌস আল হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১৬ হাজার মানুষের বিপরীতে চিকিৎসা খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ৭০ লাখ টাকা। এটি মাসিক হিসেবে মাত্র ৩ টাকা ৬৪ পয়সা। আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব এবং ওষুধের অপ্রতুলতার কথা উল্লেখ করে তিনি এই বরাদ্দ অন্তত ১০ গুণ বাড়ানোর জোর দাবি জানান।

সিনেট সভায় উপস্থিত অন্যান্য সদস্যরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি আর্থিক বরাদ্দ বাড়ানোর বিষয়ে একমত পোষণ করেন। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা অধিক গুরুত্ব পাওয়া উচিত বলে সভায় মত প্রকাশ করা হয়।