জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। গণহত্যার অভিযোগে ট্রাইব্যুনালে ৭০টির বেশি মামলা ও অভিযোগ জমা পড়লেও এখন পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র চারটির। বিচার প্রক্রিয়ার এই মন্থর গতিতে চরম হতাশা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ১১ জন নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত চললেও তা প্রত্যাশিত গতি পাচ্ছে না। প্রসিকিউটরদের মতে, মামলার পাহাড়সম চাপ, প্রয়োজনীয় জনবলের অভাব এবং লজিস্টিক সাপোর্টের সীমাবদ্ধতার কারণে বিচার কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসূত্রতাও বিচার প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শহীদ ওয়াসিম ও মুগ্ধর মতো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ এখনো দৃশ্যমান না হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যাত্রাবাড়ী, উত্তরা ও সাভারের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্পটগুলোতে সংঘটিত হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন এখনো জমা পড়েনি। বিচারপ্রার্থীদের আশঙ্কা, বিচারের এই ধীরগতির সুযোগে পরাজিত শক্তি অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের সুযোগ নিতে পারে। এমতাবস্থায়, দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ট্রাইব্যুনালের সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 





















