কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার রেকর্ড পরিমাণ ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা পাওয়া গেছে। নগদ টাকার পাশাপাশি মিলেছে বিপুল সংখ্যক বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার। শনিবার (তারিখ উল্লেখ নেই, তাই বাদ দিচ্ছি) প্রায় সাড়ে ১৩ ঘণ্টা ধরে গণনা শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ।
সকাল ৭টা থেকে দানবাক্স খোলার পর টাকা গণনার কাজ শুরু হয়। কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। গণনা কাজে আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়া ও পাগলা মসজিদের এতিমখানাসহ দুটি মাদ্রাসার প্রায় সাড়ে ৩০০ শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংকের ১৩০ জন কর্মী, মসজিদ কমিটি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সেনাবাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মসজিদ সূত্রে জানা গেছে, দেশের দূর-দূরান্ত থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষ পাগলা মসজিদে দান করতে আসেন। প্রতি ৪-৬ মাস পর পর নরসুন্দা নদী তীরে অবস্থিত এই মসজিদের সিন্দুকগুলো খোলা হয়। জেলা প্রশাসক ও মসজিদ কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন জানান, পাগলা মসজিদ ও ইসলামী কমপ্লেক্সের খরচ চালানোর পর দানের বাকি টাকা ব্যাংকে জমা রাখা হয়।
তিনি আরও বলেন, এ পর্যন্ত প্রায় ১১৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা নগদ ব্যাংকে জমা আছে এবং অনলাইনের মাধ্যমে আরও প্রায় ২৫ লাখের বেশি টাকা জমা পড়েছে। আজকের গণনাকৃত টাকাও আগের জমার সঙ্গে যুক্ত হবে। এই টাকার লভ্যাংশ থেকে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান দেওয়া হয়। পাশাপাশি অসহায় ও জটিল রোগে আক্রান্তদের সহায়তা করা হয়। মসজিদের কলেবর বাড়াতে আগের সাড়ে ৫ একর জায়গার পাশে আরও ৫৩ দশমিক ৭ শতাংশ জায়গা কেনা হয়েছে বলেও তিনি জানান। এর আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর ৩ মাস ২৭ দিন পর মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 

























