ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে হটলাইন স্থাপন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বিপরীতমুখী অবস্থান

হরমুজ প্রণালিতে চলমান সামরিক উত্তেজনা নিরসনে দুই দেশের মধ্যে ‘হটলাইন’ বা বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু হওয়া নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স দাবি করেছেন যে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে একটি যোগাযোগ মাধ্যম স্থাপন করা হয়েছে। তবে তার এই দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

ইরানের পক্ষ থেকে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এ ধরনের কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করা হয়নি এবং ভবিষ্যতে এমন কোনো উদ্যোগের সম্ভাবনাও নেই। আইআরজিসি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ওই অঞ্চলে যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক সামরিক কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঘটলে তারা কঠোর ও ব্যাপক মাত্রায় পাল্টা জবাব দেবে। বর্তমানে দুই দেশের সামরিক বাহিনী ওই অঞ্চলে মুখোমুখি অবস্থানে থাকায় পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে একের পর এক জাহাজ আটক এবং পাল্টা সামরিক হামলার হুমকি দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক সমঝোতার পথকে অনিশ্চিত করে তুলছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই বিপরীতমুখী অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি: হরমুজ প্রণালিতে বাড়ছে জাহাজ চলাচল

হরমুজ প্রণালিতে হটলাইন স্থাপন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বিপরীতমুখী অবস্থান

আপডেট সময় : ০৯:০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে চলমান সামরিক উত্তেজনা নিরসনে দুই দেশের মধ্যে ‘হটলাইন’ বা বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু হওয়া নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স দাবি করেছেন যে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে একটি যোগাযোগ মাধ্যম স্থাপন করা হয়েছে। তবে তার এই দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

ইরানের পক্ষ থেকে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এ ধরনের কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করা হয়নি এবং ভবিষ্যতে এমন কোনো উদ্যোগের সম্ভাবনাও নেই। আইআরজিসি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ওই অঞ্চলে যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক সামরিক কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঘটলে তারা কঠোর ও ব্যাপক মাত্রায় পাল্টা জবাব দেবে। বর্তমানে দুই দেশের সামরিক বাহিনী ওই অঞ্চলে মুখোমুখি অবস্থানে থাকায় পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে একের পর এক জাহাজ আটক এবং পাল্টা সামরিক হামলার হুমকি দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক সমঝোতার পথকে অনিশ্চিত করে তুলছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই বিপরীতমুখী অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।