ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাত নিরসনে একটি ঐতিহাসিক ১৪ দফার খসড়া চুক্তির রূপরেখা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর। ওয়াশিংটন ডিসিতে স্বাক্ষরিত এই সমঝোতা অনুযায়ী, লেবাননের সেনাবাহিনী দেশটির নির্দিষ্ট কিছু ‘পাইলট জোন’ বা পরীক্ষামূলক অঞ্চলে নিরাপত্তার পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করবে। প্রাথমিকভাবে দুটি অঞ্চলের বিষয়ে দেশ দুটি একমত হলেও নিরাপত্তার স্বার্থে সেগুলোর নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে লেবানন সরকার রাষ্ট্রের একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করবে এবং হিজবুল্লাহসহ সব অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত করবে। ইসরায়েল পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীর হুমকি দূর হলে লেবাননের ভূখণ্ডে তাদের সামরিক অভিযানের প্রয়োজনীয়তা থাকবে না। একইসঙ্গে লেবাননের কোনো ভূখণ্ডের প্রতি তাদের কোনো আঞ্চলিক দাবি নেই বলেও নিশ্চিত করেছে তেল আবিব।
এদিকে, যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের নিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, দেশটিতে মানবিক সহায়তা হিসেবে জরুরি ভিত্তিতে ১০ কোটি ডলার প্রদান করা হবে। এছাড়া লেবাননের সেনাবাহিনীতে শক্তিশালী করতে আরও ৩ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে পেন্টাগন। একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তি ও নিরাপত্তা চুক্তির লক্ষ্যে দুই দেশই বর্তমানে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের কাজ ত্বরান্বিত করছে।
রিপোর্টারের নাম 





















