ইরানের ওপর মার্কিন হামলার প্রতিশোধ নিতে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা আঘাত হেনেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, যদি পুনরায় কোনো আগ্রাসন চালানো হয়, তবে ইরানের প্রতিক্রিয়া হবে আরও ভয়াবহ ও ব্যাপক।
এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছিল, হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে তারা ইরানের অভ্যন্তরে নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালিয়েছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, ওই জাহাজ হামলার পেছনে তেহরানের সরাসরি হাত ছিল। যদিও গত সপ্তাহে দুই দেশের মধ্যে একটি প্রাথমিক সমঝোতা স্বাক্ষরিত হওয়ার পর উত্তেজনা কিছুটা কমবে বলে আশা করা হয়েছিল, কিন্তু সাম্প্রতিক এই পাল্টাপাল্টি হামলা সেই সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করে দিয়েছে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া এই সামরিক উত্তেজনা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী জাহাজ ‘এভার লাভলি’কে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিরোধ এখন পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে এক অনিশ্চিত যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
রিপোর্টারের নাম 






















