ঢাকা ১২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. আব্দুল মান্নান (৪২) নামে এক কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত আব্দুল মান্নান ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার বালুখন্ড গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং একটি মামলায় হাজতি হিসেবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) বন্দি ছিলেন।

কারা কর্তৃপক্ষ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সকালে কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে আব্দুল মান্নানকে দ্রুত ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান যে, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার হাজতি নম্বর ছিল ২০২৭৫/২৬।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। কারাগারে বন্দি অবস্থায় তার মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ: লাশ মর্গে রেখে পালালেন স্বামী

ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

আপডেট সময় : ১০:০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. আব্দুল মান্নান (৪২) নামে এক কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত আব্দুল মান্নান ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার বালুখন্ড গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং একটি মামলায় হাজতি হিসেবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) বন্দি ছিলেন।

কারা কর্তৃপক্ষ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সকালে কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে আব্দুল মান্নানকে দ্রুত ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান যে, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার হাজতি নম্বর ছিল ২০২৭৫/২৬।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। কারাগারে বন্দি অবস্থায় তার মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।