ফুটবল মাঠে অনেকেই খেলেন, তবে খুব কম ফুটবলারই পারেন পুরো ম্যাচকে নিজের সম্পত্তিতে পরিণত করতে। ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ভিনিসিউস জুনিয়র এখন সেই বিরল প্রতিভাদের একজন। মাঠের প্রতিটি বাঁকে তিনি যেন নিজের সাফল্যের গল্প লিখছেন। গোল করা থেকে শুরু করে সতীর্থদের দিয়ে গোল করানো—সবখানেই তার একক আধিপত্য। তিন ম্যাচ শেষে সেলেসাওদের জার্সিতে ভিনিসিউস এখন সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তার জোড়া গোলের কৃতিত্ব এখন ফুটবল বিশ্বের মুখে মুখে। ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুলকে কাজে লাগিয়ে গোলকিপারকে পরাস্ত করেন তিনি। এরপর দর্শনীয় এক হেডে দ্বিতীয় গোলটি করেন। তবে হ্যাটট্রিকটাও পেতে পারতেন এই তারকা, যদি রেফারির একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তে তার একটি গোল বাতিল না হতো। রিপ্লেতে দেখা গেছে, ফাউলের সিদ্ধান্তটি ছিল ভুল, বরং স্কটিশ ডিফেন্ডারই ভিনিসিউসকে বাধা দিয়েছিলেন। সেই আক্ষেপ থাকলেও ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গারই।
তিন ম্যাচে চার গোল আর এক অ্যাসিস্ট নিয়ে ভিনিসিউস এখন অনন্য উচ্চতায়। বিশ্বকাপের প্রথম তিন ম্যাচেই ম্যাচসেরা হয়ে তিনি লিওনেল মেসির রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন। পাশাপাশি ব্রাজিলের পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচে গোল করার গৌরব অর্জন করলেন। এর আগে জর্জিনহো, রোমারিও, রোনালদো ও রিভালদোর মতো কিংবদন্তিরা এই কীর্তি গড়েছিলেন। মজার বিষয় হলো, এই ক্লাবের আগের চারজনই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। ভিনিসিউসের এমন রাজকীয় শুরু কি তবে ব্রাজিলের ষষ্ঠ শিরোপার ইঙ্গিত দিচ্ছে?
রিপোর্টারের নাম 























