যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক চুক্তি সত্ত্বেও পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে একটি পণ্যবাহী জাহাজে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার জেরে ওই অঞ্চলে আটকা পড়া হাজার হাজার নাবিক ও শত শত জাহাজ নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে জাতিসংঘ। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে ইরানের শক্তিমত্তার এক নতুন বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, একটি ইরানি ড্রোন জাহাজটিতে আঘাত হেনেছে, যার ফলে জাহাজের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে দেশটির বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি) আগে থেকেই তাদের অনুমোদিত রুট ছাড়া অন্য কোনো পথে জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে দেওয়া এই হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হামলার ঘটনাটি ঘটে।
এই হামলার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন সময় এই ঘটনা ঘটল যখন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উপসাগরীয় দেশগুলোকে শান্তি চুক্তির বিষয়ে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছিলেন। এদিকে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) জানিয়েছে, নাবিকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে উদ্ধার অভিযান আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















