ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামে অভিন্ন কর ব্যবস্থা চালুর দাবি পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের

পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের জন্য বৈষম্যহীন ও অভিন্ন কর নীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্রাব) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এই দাবি তোলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান বলেন, পাহাড়ে দীর্ঘ সময় ধরে একটি বিশেষ জনগোষ্ঠীকে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, যা সংবিধানের সাম্য নীতির পরিপন্থী। সম্প্রতি কয়েকজন সংসদ সদস্য উপজাতিদের জন্য আয়কর অব্যাহতির দাবি জানিয়ে অর্থমন্ত্রীকে যে চিঠি দিয়েছেন, তার তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি। তিনি বলেন, যারা রাষ্ট্রকে কর দিতে চায় না, তারা দেশের সার্বভৌমত্বকে অবজ্ঞা করছে।

পাহাড়ে সেনা শাসন নিয়ে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে পাহাড়ে কোনো সেনা শাসন নেই; থাকলে স্থানীয় প্রশাসনিক পদগুলোতে উপজাতিদের বদলে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের দেখা যেত। এছাড়া ১৯৯৭ সালের শান্তি চুক্তির কিছু ধারাকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে তিনি পাহাড়ে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় ট্রেনে টাস্কফোর্সের অভিযান: কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

পার্বত্য চট্টগ্রামে অভিন্ন কর ব্যবস্থা চালুর দাবি পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের

আপডেট সময় : ০৮:১৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের জন্য বৈষম্যহীন ও অভিন্ন কর নীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্রাব) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এই দাবি তোলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান বলেন, পাহাড়ে দীর্ঘ সময় ধরে একটি বিশেষ জনগোষ্ঠীকে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, যা সংবিধানের সাম্য নীতির পরিপন্থী। সম্প্রতি কয়েকজন সংসদ সদস্য উপজাতিদের জন্য আয়কর অব্যাহতির দাবি জানিয়ে অর্থমন্ত্রীকে যে চিঠি দিয়েছেন, তার তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি। তিনি বলেন, যারা রাষ্ট্রকে কর দিতে চায় না, তারা দেশের সার্বভৌমত্বকে অবজ্ঞা করছে।

পাহাড়ে সেনা শাসন নিয়ে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে পাহাড়ে কোনো সেনা শাসন নেই; থাকলে স্থানীয় প্রশাসনিক পদগুলোতে উপজাতিদের বদলে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের দেখা যেত। এছাড়া ১৯৯৭ সালের শান্তি চুক্তির কিছু ধারাকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে তিনি পাহাড়ে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।