আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেটে সিগারেটের ওপর সুনির্দিষ্ট শুল্ক আরোপ এবং তামাকপণ্যের দাম কার্যকরভাবে বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থনীতিবিদ ও তামাকবিরোধী গবেষকরা। তারা বলছেন, বর্তমানে প্রচলিত কর কাঠামোর কারণে তামাক কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত মুনাফা করার সুযোগ পাচ্ছে, অন্যদিকে সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রজ্ঞা ও আত্মা আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশে মাথাপিছু আয় এবং নিত্যপণ্যের দাম কয়েক গুণ বাড়লেও সে তুলনায় সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়েছে নামমাত্র। বিশেষ করে বাজারের সিংহভাগ দখল করে থাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম শলাকা প্রতি মাত্র ২০ পয়সা বাড়ানো হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। বক্তারা হুশিয়ারি দেন যে, প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ি ও জর্দার দাম অপরিবর্তিত রাখলে তামাকের ব্যবহার আরও বাড়বে। তাই জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সিগারেটের স্তর সংখ্যা কমিয়ে সুনির্দিষ্ট কর ব্যবস্থা প্রবর্তনের আহ্বান জানানো হয়।
রিপোর্টারের নাম 






















