ঐতিহ্যবাহী জেলা ঝিনাইদহের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা শতাব্দী প্রাচীন ২১টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা এখন চরম অবহেলায় বিলীন হওয়ার পথে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এসব স্থাপনাকে গেজেটভুক্ত করলেও কার্যকর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেগুলো সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে আছে। এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম বটগাছ, নলডাঙ্গা রাজবাড়ী, ঢোল সমুদ্রদীঘি এবং সাতশ বছরের পুরনো বিভিন্ন মসজিদসহ ঐতিহাসিক এসব নিদর্শন এখন অস্তিত্ব সংকটে।
বিশেষ করে মহেশপুর উপজেলার খালিশপুরে অবস্থিত উনিশ শতকের প্রাচীন নীলকুঠি ভবনটি এখন ধ্বংসের মুখে। ১২ কক্ষবিশিষ্ট এই দ্বিতল ভবনটি ঔপনিবেশিক শাসনের সাক্ষী হলেও এর ছাদ দিয়ে এখন বৃষ্টির পানি পড়ছে। এছাড়া কালীগঞ্জের বারোবাজার এলাকায় মাটি খুঁড়ে পাওয়া ৯টি প্রাচীন মসজিদের মধ্যে বেশ কয়েকটি এখনো অযত্নে পড়ে আছে। ইতিহাসবিদদের মতে, যথাযথ সংস্কার ও তদারকি করা হলে এই স্থাপনাগুলো পর্যটন ও গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু হতে পারত।
তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্র এবং প্রখ্যাত গণিতবিদ কেপি বসুর বসতভিটার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোও সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এই অমূল্য প্রত্নসম্পদগুলো রক্ষায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর যেন অতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
রিপোর্টারের নাম 





















