সম্প্রতি দেশে ঘটে যাওয়া কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনায় সাংবাদিকসহ সাধারণ নাগরিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সিটিজেন ইনিশিয়েটিভ। সংগঠনটি মনে করে, রাজনৈতিক পরিচয় অপরাধের ঢাল হতে পারে না।
গাইবান্ধার সাঘাটায় ছাত্রশিবিরের সাবেক এক ইউনিয়ন সভাপতির হত্যাকাণ্ড, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় এক তরুণ অ্যাক্টিভিস্টের বাবার ওপর নৃশংস হামলা এবং ঢাকার ধানমন্ডিতে এক সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। ময়মনসিংহের ঘটনায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধ এবং সামাজিক-ধর্মীয় ইস্যুকে কেন্দ্র করে একটি গোষ্ঠী ইফতেখার জামিলের বাবার ওপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে তাঁর পা ভেঙে যায়। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করেছে, অভিযুক্তদের রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে এবং তারা জামায়াতের স্থানীয় কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। হামলার পরও ভুক্তভোগী পরিবারকে ভয় দেখানো হচ্ছে এবং নতুন হামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের নিষ্ক্রিয়তা ও উদাসীনতায় পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
একইভাবে, গাইবান্ধার সাঘাটায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ছাত্রশিবিরের সাবেক এক ইউনিয়ন সভাপতি নিহত এবং আরেক কর্মী আহত হওয়ার ঘটনাও উদ্বেগের কারণ। হামলায় বিএনপি ও যুবদলের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার ধানমন্ডিতে দৈনিক সকাল-এর মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মাহফুজুর রহমান শিশিরের ওপর জামায়াত-কর্মী কর্তৃক হামলার ঘটনাও বিশেষভাবে আলোচিত। যদিও এই ঘটনায় জামায়াত ক্ষমা চেয়েছে, সিটিজেন ইনিশিয়েটিভ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, মতপ্রকাশ বা সংবাদ সংগ্রহের কারণে কোনো সাংবাদিকের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সংগঠনটি আরও বলেছে, কোনো একটি ঘটনার জন্য পুরো রাজনৈতিক সংগঠনকে দায়ী করা উচিত নয়। তবে, কোনো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বা হত্যার অভিযোগ উঠলে, সেই সংগঠনের নৈতিক দায়িত্ব হলো অভিযোগকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা, ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়ানো এবং অপরাধীদের কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রশ্রয় না দেওয়া।
রিপোর্টারের নাম 





















