ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ইরান যুদ্ধের অবসান: যুক্তরাষ্ট্রের নীতি নিয়ে নিজ দেশেই সমালোচনার ঝড়

দীর্ঘ উত্তেজনার পর অবশেষে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এক চুক্তির মাধ্যমে ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছে। তবে এই চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের এক ধরণের ‘শর্তসাপেক্ষ আত্মসমর্পণ’ হিসেবে দেখছেন দেশটির কট্টরপন্থী রিপাবলিকান নেতারা। বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসনের এই সমঝোতাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।

চুক্তির ফলে ইরান তাদের অবরুদ্ধ থাকা শত শত কোটি ডলার ফেরত পেতে যাচ্ছে, যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন সিনেটররা। সমালোচকদের মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির একটি বড় পরাজয়। তারা আশঙ্কা করছেন, এই চুক্তির ফলে ইরান অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের আধিপত্য আরও সুসংহত করার সুযোগ পাবে।

তবে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিপর্যয় এড়াতেই এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তার মতে, যুদ্ধ চালিয়ে গেলে প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতি আরও বাড়ত। সব মিলিয়ে এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে, সামরিক শক্তির চেয়ে কূটনীতিই শেষ পর্যন্ত জটিল বৈশ্বিক সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাজ্যে মপেড নিয়ে হাসনাতের গাড়ি আটকান সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, আইনি জটিলতায় এমপি

ইরান যুদ্ধের অবসান: যুক্তরাষ্ট্রের নীতি নিয়ে নিজ দেশেই সমালোচনার ঝড়

আপডেট সময় : ১২:২৩:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

দীর্ঘ উত্তেজনার পর অবশেষে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এক চুক্তির মাধ্যমে ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছে। তবে এই চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের এক ধরণের ‘শর্তসাপেক্ষ আত্মসমর্পণ’ হিসেবে দেখছেন দেশটির কট্টরপন্থী রিপাবলিকান নেতারা। বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসনের এই সমঝোতাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।

চুক্তির ফলে ইরান তাদের অবরুদ্ধ থাকা শত শত কোটি ডলার ফেরত পেতে যাচ্ছে, যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন সিনেটররা। সমালোচকদের মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির একটি বড় পরাজয়। তারা আশঙ্কা করছেন, এই চুক্তির ফলে ইরান অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের আধিপত্য আরও সুসংহত করার সুযোগ পাবে।

তবে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিপর্যয় এড়াতেই এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তার মতে, যুদ্ধ চালিয়ে গেলে প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতি আরও বাড়ত। সব মিলিয়ে এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে, সামরিক শক্তির চেয়ে কূটনীতিই শেষ পর্যন্ত জটিল বৈশ্বিক সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।