ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে বিক্ষোভting, নিহত ২৪

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে চলমান বিক্ষোভে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ২৪ জন নিহত এবং ৯৭ জন আহত হয়েছেন। ৫১৫ জনকে আটক করা হয়েছে বলে শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে। বিক্ষোভের জেরে অঞ্চলজুড়ে ধর্মঘট, সড়ক অবরোধ এবং ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে, যার ফলে পরিস্থিতি এখনো উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে।

গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয় বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ চলছে। বিক্ষোভ শুরু হয় আগামী ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া স্থানীয় ৪৫ আসনের আইনসভা নির্বাচনে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য ১২টি আসন সংরক্ষণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষিত নাগরিক অধিকার সংগঠন- জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালে জম্মু-কাশ্মিরের দুটি অঞ্চল দখল করে পাকিস্তান— আজাদ কাশ্মীর এবং গিলগিট-বাল্টিস্তান। উভয় অঞ্চলই পাকিস্তানের কেন্দ্রশাসিত এবং এদের নিজস্ব প্রাদেশিক আইনসভা বা বিধানসভা রয়েছে। আজাদ কাশ্মীরের বিধানসভায় মোট ৪৫টি আসন রয়েছে, যার মধ্যে ১২টি আসন ভারতের জম্মু-কাশ্মীর থেকে আসা উদ্বাস্তুদের জন্য সংরক্ষিত।

আজাদ কাশ্মিরের পুলিশপ্রধান লিয়াকত আলী মালিক এএফপিকে জানিয়েছেন, বিক্ষোভের মূল কেন্দ্র বর্তমানে রাওয়ালকোট শহর, যা আজাদ কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদ থেকে ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কারফিউ জারি করেছে। শহরের প্রধান সড়কগুলো এবং ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতি সীমিত করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে চাঁদাবাজির তাণ্ডব: মোহাম্মদপুরসহ একাধিক এলাকা আতঙ্কের জনপদ, সক্রিয় অর্ধশত চক্র

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে বিক্ষোভting, নিহত ২৪

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে চলমান বিক্ষোভে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ২৪ জন নিহত এবং ৯৭ জন আহত হয়েছেন। ৫১৫ জনকে আটক করা হয়েছে বলে শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে। বিক্ষোভের জেরে অঞ্চলজুড়ে ধর্মঘট, সড়ক অবরোধ এবং ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে, যার ফলে পরিস্থিতি এখনো উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে।

গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয় বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ চলছে। বিক্ষোভ শুরু হয় আগামী ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া স্থানীয় ৪৫ আসনের আইনসভা নির্বাচনে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য ১২টি আসন সংরক্ষণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষিত নাগরিক অধিকার সংগঠন- জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালে জম্মু-কাশ্মিরের দুটি অঞ্চল দখল করে পাকিস্তান— আজাদ কাশ্মীর এবং গিলগিট-বাল্টিস্তান। উভয় অঞ্চলই পাকিস্তানের কেন্দ্রশাসিত এবং এদের নিজস্ব প্রাদেশিক আইনসভা বা বিধানসভা রয়েছে। আজাদ কাশ্মীরের বিধানসভায় মোট ৪৫টি আসন রয়েছে, যার মধ্যে ১২টি আসন ভারতের জম্মু-কাশ্মীর থেকে আসা উদ্বাস্তুদের জন্য সংরক্ষিত।

আজাদ কাশ্মিরের পুলিশপ্রধান লিয়াকত আলী মালিক এএফপিকে জানিয়েছেন, বিক্ষোভের মূল কেন্দ্র বর্তমানে রাওয়ালকোট শহর, যা আজাদ কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদ থেকে ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কারফিউ জারি করেছে। শহরের প্রধান সড়কগুলো এবং ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতি সীমিত করা হয়েছে।