বাংলাদেশ রিকন্ডিশন ভেহিকেলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা) আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে মধ্যম সারির জীবাশ্ম জ্বালানিচালিত রিকন্ডিশন্ড গাড়ির উপর আরোপিত অতিরিক্ত করভার প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি একইসঙ্গে ব্র্যান্ড নিউ ও রিকন্ডিশন্ড প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির জন্য সমান শুল্ক সুবিধা এবং জ্বালানি সাশ্রয়ী হাইব্রিড যানবাহনের জন্য নীতিগত সহায়তা চেয়েছে।
শনিবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বারভিডা সভাপতি আবদুল হক এসব দাবি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে রিকন্ডিশন্ড গাড়ির উপর কর বৃদ্ধি করা হলে এসব গাড়ির দাম আরও বেড়ে যাবে এবং তা মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে। এর ফলে ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগও ঝুঁকির মুখে পড়বে। বারভিডার অভিযোগ, প্রস্তাবিত বাজেটে ১-১৫০০ সিসির পরিবর্তে ১-১২০০ সিসি এবং ১২০১-১৬০০ সিসি নামে নতুন স্ল্যাব নির্ধারণ করে জনপ্রিয় ও জ্বালানি সাশ্রয়ী গাড়ির সামগ্রিক করভার ১৩২.৩৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫৯.৮০ শতাংশ করা হয়েছে। এতে ফুয়েলচালিত একটি রিকন্ডিশন্ড টয়োটা প্রিমিওর দাম প্রায় ৩ লাখ টাকা এবং একটি টয়োটা এক্সিওর মূল্য আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে।
সংগঠনের নেতারা জানান, দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বাড়াতে সরকার আমদানিতে শুল্ক সুবিধা দিলেও এখনো পর্যাপ্ত চার্জিং অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি। ফলে এসব যানবাহনের সুফল সাধারণ ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে সময় লাগবে। অন্যদিকে জ্বালানি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব হাইব্রিড গাড়ির ব্যবহার এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ইতোমধ্যে দেশে গড়ে উঠেছে। তাই টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বৈদ্যুতিক গাড়ির পাশাপাশি হাইব্রিড যানবাহনকেও সমান নীতি সহায়তার আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, রিকন্ডিশন্ড মোটরযান খাতে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার স্থানীয় বিনিয়োগ রয়েছে। এই খাত থেকে বছরে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়। পাশাপাশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং ব্যাংক, লিজিং ও বিমা খাতের সম্প্রসারণেও শিল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
রিপোর্টারের নাম 
























