আসরে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে হাইতির বিপক্ষে জয় জরুরি ছিল ব্রাজিলের। অন্য ম্যাচে মরক্কোর জয়ে সমীকরণ কিছুটা সহজ হলেও, মাঠে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিয়েছে সেলেসাওরা। ফরোয়ার্ড মাতেউস কুনহার জোড়া গোল এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের এক গোলে ৩-০ ব্যবধানে সহজ জয় পেয়েছে ব্রাজিল। এই জয়ে গ্রুপ সি–এর শীর্ষে উঠে এসেছে কার্লো আনচেলত্তির দল, আর চলমান বিশ্বকাপ থেকে প্রথম দল হিসেবে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে হাইতির।
গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ড্র করে সমালোচনার মুখে পড়েছিল ব্রাজিল। তবে ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির বিপক্ষে তারা নিয়ন্ত্রিত ও আক্রমণাত্মক পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। শুরুর একাদশে ব্রেন্টফোর্ড স্ট্রাইকার ইগর থিয়াগোর পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছিলেন কুনহা। ম্যাচের ২৩তম মিনিটে ভাগ্যের সহায়তায় প্রথম গোলটি করেন তিনি; ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট হাইতির ডিফেন্ডার হানেস ডেলক্রোয়া ক্লিয়ার করতে গেলে বল কুনহার গায়ে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। এরপর ভিনিসিয়ুসের আরেকটি শট হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিদে ফিরিয়ে দিলে সেই রিবাউন্ডে বল পেয়ে কুনহা ফের গোল করেন। বিরতির আগেই লুকাস পাকেতার দারুণ লং পাস থেকে বল পেয়ে শান্তভাবে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ব্যবধান ৩-০ করেন ভিনিসিয়ুস।
দ্বিতীয়ার্ধে হাইতির রিকার্ডো আদে কর্নার থেকে হেডে চেষ্টা করলেও ব্রাজিলের গোলরক্ষক অ্যালিসন দুর্দান্তভাবে তা রুখে দেন। ম্যাচের শেষদিকে বদলি খেলোয়াড় এন্ড্রিক গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। তবে এতে ব্রাজিলের জয় পেতে কোনো সমস্যা হয়নি।
ব্রাজিলের আক্রমণভাগ নিয়ে যে দুশ্চিন্তা ছিল, এই ম্যাচের পর আনচেলত্তি কিছুটা নির্ভার হলেন। কুনহার পারফরম্যান্স ব্রাজিলের আক্রমণে নতুন গতি এনেছে। তার নড়াচড়া এবং বল আদান–প্রদান ভিনিসিয়ুস ও রাফিনিয়াকে বেশি জায়গা করে দিয়েছে, যা আনচেলত্তির আক্রমণভাগকে আরও কার্যকর করেছে। এই জয়ের পর ৩ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে মরক্কোর ওপরে থেকে গ্রুপ সি–এর শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। শেষ ম্যাচে তারা স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে, আর হাইতি দুই ম্যাচে পরাজয়ের পর টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। তাদের শেষ ম্যাচের প্রতিপক্ষ মরক্কো।
রিপোর্টারের নাম 

























