রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মার্কেটিং বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনা সম্পর্কিত ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে তিন সাংবাদিক ও রাকসুর দুই নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র ভবনের সামনে এই ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং বিভাগের সভাপতির উপস্থিতিতেই এই হামলার ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার হয়েছেন রাবি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ডেইলি ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মারুফ হোসেন মিশন, ঢাকা পোস্টের প্রতিনিধি জুবায়ের জিসান, দৈনিক মানবকণ্ঠের প্রতিনিধি আবু বকর অনিক। এছাড়াও রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির এবং রাকসুর বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক ইমরান লস্করও হামলার শিকার হয়েছেন।
অভিযোগের সূত্রপাত হয় মার্কেটিং বিভাগের কিছু জুনিয়র শিক্ষার্থীর কাছ থেকে। তারা সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন যে, সিনিয়র শিক্ষার্থীরা ‘মিট-আপ’-এর নামে তাদের দীর্ঘ সময় সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রেখে র্যাগিং করছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে অবহিত করেন এবং পরে একজন সহকারী প্রক্টরকে সঙ্গে নিয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখা যায়, রবীন্দ্র ভবনের পাশের সাইকেল গ্যারেজ এলাকায় কয়েকজন জুনিয়র শিক্ষার্থীকে পাঁচটি সারিতে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। সাংবাদিকরা ভিডিও ধারণ শুরু করলে উপস্থিত সিনিয়র শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং র্যাগিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তারা দাবি করেন, এটি কোনো র্যাগিং নয়, বরং ওরিয়েন্টেশন ও খেলাধুলা সংক্রান্ত আলোচনা চলছিল।
তবে, ভিডিও ধারণের পর সাংবাদিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা ভিডিও মুছে ফেলার জন্য বারবার চাপ দেন। সাংবাদিকরা এতে রাজি না হলে তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আরও কয়েকজন সাংবাদিক ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাদেরও আটকে রাখা হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হয়। পরে রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির ও বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক ইমরান লস্কর পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা তাদের উপরও চড়াও হয়।
রিপোর্টারের নাম 



















