ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় সরকারি খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত বিপুল পরিমাণ চাল বিতরণে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) ইস্যু করা হলেও পরিবহন খরচের সংকটের অজুহাতে প্রায় ৩৪০ টন চাল এখনো উপজেলা খাদ্যগুদামে পড়ে আছে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায় এই সহায়তা কার্যক্রম নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, ভিজিডি কর্মসূচি ও সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য বরাদ্দ করা এই চাল সময়মতো উত্তোলন না করায় প্রকৃত সুবিধাভোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বর্তমানে গুদামে ভিজিডি কর্মসূচির ১৫৫ টন, নতুন ডিও’র ৭৬ টন এবং জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০৯ টন চাল মজুত রয়েছে। উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েক মাসের বরাদ্দকৃত চাল এখনো গুদাম থেকে নেওয়া হয়নি।
স্থানীয় সূত্রমতে, মে মাসের মধ্যে জেলেদের চাল বিতরণের সময়সীমা শেষ হলেও জুন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত তা গুদামেই রয়ে গেছে। চাঁদপুর, সোনাপুর, চাঁচড়া, বড় মলংচড়া ও শম্ভুপুর ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের গড়িমসির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে গুদামে চাল জমে থাকায় নতুন করে সরকারি ধান সংগ্রহ অভিযানেও জায়গার সংকট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ভুক্তভোগী জেলেরা ও ভিজিডি কার্ডধারীরা জানিয়েছেন, কাগজপত্রে বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে তারা চাল পাচ্ছেন না। দ্রুত এই প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে চাল বিতরণের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রিপোর্টারের নাম 























