ঢাকা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

বাজিতপুরে দাদন ব্যবসায়ীদের কবলে নিঃস্ব শত শত পরিবার, ফাঁকা চেকে জিম্মি ঋণগ্রহীতারা

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় চড়া সুদের কারবার এবং একশ্রেণির দাদন ব্যবসায়ীর দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি ও ব্যক্তি পর্যায়ের সুদখোররা ঋণের বিপরীতে গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম ফাঁকা চেক গ্রহণ করে পরে চড়া সুদে অর্থ আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পাওনা টাকার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ দাবি করে অনেক পরিবারকে সর্বস্বান্ত করে দিচ্ছে এসব অসাধু চক্র।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা এসব নামসর্বস্ব সমিতি ও সুদখোরদের কারণে সামাজিক ও পারিবারিক অশান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। অনেক ঋণগ্রহীতা ঋণের বোঝা ও হয়রানি সইতে না পেরে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন। এমনকি দাদন ব্যবসায়ীদের চাপে আত্মহত্যার মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটেছে। ভুক্তভোগীদের মধ্যে রয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে শিক্ষক ও নিম্ন আয়ের মানুষ।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ঋণের জন্য জমা দেওয়া ব্যাংকের চেকে পরে ইচ্ছেমতো অংক বসিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এক ব্যবসায়ী জানান, একটি সমিতির কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নিয়ে নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করার পরও ওই সমিতি উধাও হয়ে যায় এবং পরে তার নামে ৫ লাখ টাকার চেকের মামলা করা হয়। এ ধরনের জালিয়াতি ও দাদন ব্যবসার বিরুদ্ধে এলাকায় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা এই অবৈধ কারবার বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিনাইদহে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ: পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

বাজিতপুরে দাদন ব্যবসায়ীদের কবলে নিঃস্ব শত শত পরিবার, ফাঁকা চেকে জিম্মি ঋণগ্রহীতারা

আপডেট সময় : ০৩:০২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় চড়া সুদের কারবার এবং একশ্রেণির দাদন ব্যবসায়ীর দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি ও ব্যক্তি পর্যায়ের সুদখোররা ঋণের বিপরীতে গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম ফাঁকা চেক গ্রহণ করে পরে চড়া সুদে অর্থ আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পাওনা টাকার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ দাবি করে অনেক পরিবারকে সর্বস্বান্ত করে দিচ্ছে এসব অসাধু চক্র।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা এসব নামসর্বস্ব সমিতি ও সুদখোরদের কারণে সামাজিক ও পারিবারিক অশান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। অনেক ঋণগ্রহীতা ঋণের বোঝা ও হয়রানি সইতে না পেরে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন। এমনকি দাদন ব্যবসায়ীদের চাপে আত্মহত্যার মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটেছে। ভুক্তভোগীদের মধ্যে রয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে শিক্ষক ও নিম্ন আয়ের মানুষ।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ঋণের জন্য জমা দেওয়া ব্যাংকের চেকে পরে ইচ্ছেমতো অংক বসিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এক ব্যবসায়ী জানান, একটি সমিতির কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নিয়ে নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করার পরও ওই সমিতি উধাও হয়ে যায় এবং পরে তার নামে ৫ লাখ টাকার চেকের মামলা করা হয়। এ ধরনের জালিয়াতি ও দাদন ব্যবসার বিরুদ্ধে এলাকায় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা এই অবৈধ কারবার বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।