ব্রাজিলের বিশ্বকাপ যাত্রায় বড় ধাক্কা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে তারকা ফরোয়ার্ড নেইমারের চোট। প্রস্তুতি ম্যাচ থেকে শুরু করে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ পর্যন্ত মাঠের বাইরে থাকা এই খেলোয়াড়কে গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচেও পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে এসেছে, যা সেলেসাও শিবিরে নকআউট পর্বের আগে আশাবাদ কমিয়ে দিয়েছে।
মাংসপেশির চোটের কারণে নেইমার পানামা ও মিসরের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে এবং মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে অনুপস্থিত ছিলেন। সেই মরক্কো ম্যাচে ব্রাজিল ১-১ গোলে ড্র করে, যেখানে নেইমারের অভাব স্পষ্ট অনুভূত হয়েছে। বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি আশা প্রকাশ করেছিলেন যে নেইমার এই সপ্তাহেই অনুশীলনে ফিরবেন। তবে, মেডিকেল বিভাগ কোনো ঝুঁকি নিতে রাজি নয় এবং তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো চোট পুরোপুরি সেরে ওঠার আগে তাকে মাঠে না নামানো।
ফলে, শুক্রবার হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিলের দ্বিতীয় ম্যাচে নেইমারের খেলার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। এমনকি ২৪ জুন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচেও তার খেলা অনিশ্চিত। শারীরিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি হলে কেবল সেই ম্যাচেই তাকে দেখা যেতে পারে। ব্রাজিল শিবিরের প্রধান চিন্তা এখন একটাই – চোট যেন নতুন করে না বাড়ে। তাই গ্রুপ পর্বে ঝুঁকি না নিয়ে নকআউট পর্বের জন্য নেইমারকে প্রস্তুত করার পরিকল্পনাই প্রাধান্য পাচ্ছে। প্রয়োজন হলে শেষ ষোলো থেকেই তাকে মাঠে নামানোর চিন্তা করা হবে।
সোমবার নেইমারের আরও একটি স্ক্যান করা হয়েছে। পরীক্ষার ফল ইতিবাচক এলেও তিনি এখনো পূর্ণ অনুশীলনে ফেরার মতো অবস্থায় পৌঁছাননি। বর্তমানে তিনি চিকিৎসক দলের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থেকে জিমে পুনর্বাসন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। মাঠে ফিরে বল নিয়ে অনুশীলন শুরু করার আগে তাকে আরও কয়েকটি ধাপ পার হতে হবে। ব্রাজিল জাতীয় দলের চিকিৎসক রদ্রিগো লাসমার যে তিন সপ্তাহের পুনর্বাসন পরিকল্পনা দিয়েছিলেন, তার মেয়াদ শেষ হলেও হাইতির বিপক্ষে মাঠে নামার মতো ফিটনেস অর্জন করতে পারবেন না নেইমার। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনও আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক এবং উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কোনো তথ্য প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























