২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে অভিযানের সময় শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশে গণহত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রবিবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, ঘটনার পর বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের জন্য আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহায়তা নেওয়া হয়েছে এবং দুবাইয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, এই গণহত্যা পরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ ও বাস্তবায়নে বেনজীর আহমেদের সঙ্গে আরও দুজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন। তারা হলেন র্যাবের গোয়েন্দা শাখার তৎকালীন প্রধান লে. কর্নেল জিয়াউল আহসান এবং বিজিবির তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ।
জানা গেছে, সাবেক এই আইজিপির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং বাংলাদেশ পাসপোর্ট অর্ডার, ১৯৭৩-এর আওতায় একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
শেখ হাসিনার নির্দেশে শাপলা চত্বর ‘ক্লিয়ার’ করার জন্য বেনজীর আহমেদ, জিয়াউল আহসান এবং আজিজ আহমেদ ছাড়াও পুলিশের সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, অতিরিক্ত আইজিপি শহীদুল ইসলাম, র্যাবের ডিজি মোখলেসুর রহমান, ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদসহ আরও অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পাঁচজন কমান্ড অফিসার দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এই অভিযানের ‘বীরত্ব’ দেখানোর জন্য এদের অনেকেই পরবর্তীতে পুরস্কৃত হয়েছেন এবং পদোন্নতি পেয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 






















