ঢাকা ১২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

নোয়াখালীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগ: ভাইরাল ভিডিও দেখে তদন্তে পুলিশ

নোয়াখালীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৩ জুন) ভোরে জেলা শহর মাইজদীর জজ আদালত সড়কের উত্তর পাশে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভের মাঝখানে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে’ এই ঘটনা ঘটে। দিনের বেলায় ঘটনাটি কারো নজরে না এলেও, সন্ধ্যায় স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর পুলিশ ঘটনাটি তদন্তে তৎপর হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল তরুণ স্মৃতিস্তম্ভ ও এর আশপাশে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। এতে স্মৃতিস্তম্ভের নিচের অংশের কিছু অংশ পুড়ে যায়। ভিডিওতে উপস্থিত একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘স্বাধীন সার্বভৌম এই দেশ থেকে রাজাকারের চিহ্ন মুছে ফেলার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগই যথেষ্ট। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে। নোয়াখালী থেকে রাজাকার বিতাড়িত করার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রস্তুত।’ এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কামরুল ইসলাম রোববার সকালে জানান, ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে কারা এবং কখন আগুন দিয়েছে, সে বিষয়ে আমাদের কাছে পূর্বে কোনো তথ্য ছিল না। যারা এ অপরাধ করেছে, তারাই একটি ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে, আগুনের কারণে স্মৃতিস্তম্ভের কিছু অংশ পুড়ে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ভিডিও ফুটেজ ও সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

নোয়াখালীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগ: ভাইরাল ভিডিও দেখে তদন্তে পুলিশ

আপডেট সময় : ১০:৪৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

নোয়াখালীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৩ জুন) ভোরে জেলা শহর মাইজদীর জজ আদালত সড়কের উত্তর পাশে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভের মাঝখানে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে’ এই ঘটনা ঘটে। দিনের বেলায় ঘটনাটি কারো নজরে না এলেও, সন্ধ্যায় স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর পুলিশ ঘটনাটি তদন্তে তৎপর হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল তরুণ স্মৃতিস্তম্ভ ও এর আশপাশে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। এতে স্মৃতিস্তম্ভের নিচের অংশের কিছু অংশ পুড়ে যায়। ভিডিওতে উপস্থিত একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘স্বাধীন সার্বভৌম এই দেশ থেকে রাজাকারের চিহ্ন মুছে ফেলার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগই যথেষ্ট। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে। নোয়াখালী থেকে রাজাকার বিতাড়িত করার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রস্তুত।’ এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কামরুল ইসলাম রোববার সকালে জানান, ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে কারা এবং কখন আগুন দিয়েছে, সে বিষয়ে আমাদের কাছে পূর্বে কোনো তথ্য ছিল না। যারা এ অপরাধ করেছে, তারাই একটি ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে, আগুনের কারণে স্মৃতিস্তম্ভের কিছু অংশ পুড়ে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ভিডিও ফুটেজ ও সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।