ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

পাবনায় সাত দিনে সাত প্রাণহানি: চরম নিরাপত্তাহীনতায় আতঙ্কিত জনপদ

পাবনা জেলাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি জনমনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। গত এক সপ্তাহে শহর ও এর আশপাশের এলাকায় পৃথক সহিংসতায় কলেজছাত্র, স্কুলছাত্রী এবং চরমপন্থি সদস্যসহ অন্তত সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন। একের পর এক হত্যাকাণ্ড, অগ্নিসংযোগ ও নৃশংসতার ঘটনায় পুরো এলাকায় এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সর্বশেষ গত সোমবার পাবনা শহরে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি খুনের ঘটনা ঘটে। সদর উপজেলার জাফরাবাদ এলাকায় চরমপন্থি দল নকশালের সদস্য আলী হোসেনকে তার সন্তানের সামনেই গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এর কিছুক্ষণ আগে শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারান মনিরুল ইসলাম নামে এক কলেজছাত্র। এছাড়া গত ৩ জুন এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন দিলে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।

এদিকে পাবনা মানসিক হাসপাতালেও এক রোগীর পিটুনিতে অন্য এক রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শুধু হত্যাকাণ্ডই নয়, শহরজুড়ে কিশোর গ্যাংয়ের বেপরোয়া তৎপরতায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাজারের সামনে বখাটেদের উপদ্রবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অভিভাবকরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অধ্যক্ষসহ ১৮ জনের নামে হত্যা মামলা

পাবনায় সাত দিনে সাত প্রাণহানি: চরম নিরাপত্তাহীনতায় আতঙ্কিত জনপদ

আপডেট সময় : ১২:৪০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

পাবনা জেলাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি জনমনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। গত এক সপ্তাহে শহর ও এর আশপাশের এলাকায় পৃথক সহিংসতায় কলেজছাত্র, স্কুলছাত্রী এবং চরমপন্থি সদস্যসহ অন্তত সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন। একের পর এক হত্যাকাণ্ড, অগ্নিসংযোগ ও নৃশংসতার ঘটনায় পুরো এলাকায় এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সর্বশেষ গত সোমবার পাবনা শহরে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি খুনের ঘটনা ঘটে। সদর উপজেলার জাফরাবাদ এলাকায় চরমপন্থি দল নকশালের সদস্য আলী হোসেনকে তার সন্তানের সামনেই গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এর কিছুক্ষণ আগে শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারান মনিরুল ইসলাম নামে এক কলেজছাত্র। এছাড়া গত ৩ জুন এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন দিলে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।

এদিকে পাবনা মানসিক হাসপাতালেও এক রোগীর পিটুনিতে অন্য এক রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শুধু হত্যাকাণ্ডই নয়, শহরজুড়ে কিশোর গ্যাংয়ের বেপরোয়া তৎপরতায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাজারের সামনে বখাটেদের উপদ্রবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অভিভাবকরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।