ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

কুড়িগ্রামে শিক্ষক সংকটে বিপর্যস্ত তিন স্কুল: এক শিক্ষকই সামলাচ্ছেন পাঁচ শ্রেণির ক্লাস

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার অষ্টমীরচর ইউনিয়নে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা চরম সংকটের মুখে পড়েছে। ইউনিয়নের তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাত্র একজন করে শিক্ষক দিয়ে পাঠদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে শিক্ষার গুণগত মান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা।

সরেজমিনে চর মুদাফৎ কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, সহকারী শিক্ষক সাইদ মোহাম্মদ সা’দ একাই পাঁচটি শ্রেণির ক্লাস নিচ্ছেন। নথিপত্র অনুযায়ী সেখানে আরও শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও একজন প্রশিক্ষণে আছেন এবং প্রধান শিক্ষক জিয়ারা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি বিদ্যালয়ে না এসেই নিয়মিত বেতন তুলছেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিস জানিয়েছে, ওই প্রধান শিক্ষক কোনো অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন এবং তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একই চিত্র দেখা গেছে মুদাফৎ কালিকাপুর স্কুলেও, যেখানে একজন শিক্ষককে প্রশাসনিক কাজ সামলানোর পাশাপাশি একসাথে একাধিক শ্রেণির ক্লাস নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। শিক্ষক সংকটের কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কুল থেকে ঝরে পড়ছে বলেও স্থানীয়রা জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অধ্যক্ষসহ ১৮ জনের নামে হত্যা মামলা

কুড়িগ্রামে শিক্ষক সংকটে বিপর্যস্ত তিন স্কুল: এক শিক্ষকই সামলাচ্ছেন পাঁচ শ্রেণির ক্লাস

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার অষ্টমীরচর ইউনিয়নে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা চরম সংকটের মুখে পড়েছে। ইউনিয়নের তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাত্র একজন করে শিক্ষক দিয়ে পাঠদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে শিক্ষার গুণগত মান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা।

সরেজমিনে চর মুদাফৎ কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, সহকারী শিক্ষক সাইদ মোহাম্মদ সা’দ একাই পাঁচটি শ্রেণির ক্লাস নিচ্ছেন। নথিপত্র অনুযায়ী সেখানে আরও শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও একজন প্রশিক্ষণে আছেন এবং প্রধান শিক্ষক জিয়ারা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি বিদ্যালয়ে না এসেই নিয়মিত বেতন তুলছেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিস জানিয়েছে, ওই প্রধান শিক্ষক কোনো অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন এবং তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একই চিত্র দেখা গেছে মুদাফৎ কালিকাপুর স্কুলেও, যেখানে একজন শিক্ষককে প্রশাসনিক কাজ সামলানোর পাশাপাশি একসাথে একাধিক শ্রেণির ক্লাস নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। শিক্ষক সংকটের কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কুল থেকে ঝরে পড়ছে বলেও স্থানীয়রা জানান।