কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে জোরপূর্বক পাঠানোর (পুশইন) চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে বিএসএফের এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে ভুক্তভোগীরা সীমান্তের শূন্যরেখায় ভারতীয় অংশে অবস্থান করছেন।
স্থানীয় ও বিজিবি সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোরে উপজেলার চক বিলগাতুয়া-প্রাগপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। বিষয়টি টের পেয়ে গ্রামবাসী তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবির প্রাগপুর বিওপি ক্যাম্পে খবর দেয়। পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে অবস্থান নিলে বিএসএফ পিছু হটতে বাধ্য হয়। অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা ব্যক্তিরা নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করেছেন। তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ও স্থানীয় জনসাধারণ সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং বিষয়টি মীমাংসার লক্ষ্যে বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ভারতের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























