ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য: ৬০ পণ্যে উৎসে কর হ্রাস

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও কৃষিভিত্তিক প্রায় ৬০টি পণ্যের ওপর উৎসে কর উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে উৎসে কর ১%, ২% এবং ৫% হারে আদায় করা হয়। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, এই হার কমিয়ে এককভাবে ০.৫% নির্ধারণ করা হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে বাজারে পণ্য সরবরাহের ব্যয় কমবে এবং ভোক্তা পর্যায়ে মূল্য চাপ কিছুটা হলেও প্রশমিত হবে।

কর সুবিধার আওতায় থাকা পণ্যের তালিকায় ধান, চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল এবং বিভিন্ন ধরনের বীজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, প্রাণিজ আমিষের জোগান বৃদ্ধির লক্ষ্যে গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি ও মাছকেও এই সুবিধার আওতায় আনা হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়ে করের বোঝা কমলে ব্যবসায়ীদের ব্যয় হ্রাস পাবে, যার ইতিবাচক প্রভাব পাইকারি ও খুচরা বাজারে পড়বে। তবে, কাঙ্ক্ষিত সুফল পেতে বাজার তদারকি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার দক্ষতা নিশ্চিত করাও জরুরি বলে তারা মনে করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লালমনিরহাটের চার যুবককে রাশিয়ায় সেনাবাহিনীর কাছে বিক্রির অভিযোগ: মানবপাচার মামলা দায়ের

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য: ৬০ পণ্যে উৎসে কর হ্রাস

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও কৃষিভিত্তিক প্রায় ৬০টি পণ্যের ওপর উৎসে কর উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে উৎসে কর ১%, ২% এবং ৫% হারে আদায় করা হয়। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, এই হার কমিয়ে এককভাবে ০.৫% নির্ধারণ করা হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে বাজারে পণ্য সরবরাহের ব্যয় কমবে এবং ভোক্তা পর্যায়ে মূল্য চাপ কিছুটা হলেও প্রশমিত হবে।

কর সুবিধার আওতায় থাকা পণ্যের তালিকায় ধান, চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল এবং বিভিন্ন ধরনের বীজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, প্রাণিজ আমিষের জোগান বৃদ্ধির লক্ষ্যে গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি ও মাছকেও এই সুবিধার আওতায় আনা হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়ে করের বোঝা কমলে ব্যবসায়ীদের ব্যয় হ্রাস পাবে, যার ইতিবাচক প্রভাব পাইকারি ও খুচরা বাজারে পড়বে। তবে, কাঙ্ক্ষিত সুফল পেতে বাজার তদারকি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার দক্ষতা নিশ্চিত করাও জরুরি বলে তারা মনে করেন।