জাপানের পর এবার নেপালও ভারতীয় আম আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। আমদানি করা চালানে অতিরিক্ত মাত্রার রাসায়নিক কীটনাশক শনাক্ত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে কাঠমান্ডুর কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এই আমদানি নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
নেপালি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই পদক্ষেপে দেশীয় জাতের ফলের বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে। দেশটির মধেসি প্রদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা, কৃষি ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মনীশ কুমার পাল ‘দ্য রাইজিং নেপাল’কে বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ‘স্বাস্থ্যকর ফলের’ জন্য আরও বেশি সুযোগ তৈরি করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত স্থানীয়ভাবে ফল উৎপাদনে উৎসাহ জোগাবে এবং নাগরিকেরা আরও স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ ফল পাওয়ার সুযোগ পাবে।’
তবে, দেশের আম ব্যবসায়ীরা সম্ভাব্য ঘাটতি, মূল্যবৃদ্ধি এবং বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। নেপাল আম উৎপাদনকারী দেশ হলেও এবং আমদানির চেয়ে বেশি ফল রপ্তানি করলেও, স্থানীয় চাহিদা মেটাতে দেশীয় উৎপাদন যথেষ্ট নয়। পাশাপাশি নেপালি আমের মৌসুম মাত্র দুই মাস স্থায়ী হয়। ভারতের শীর্ষ পাঁচটি আম রপ্তানিকারক দেশ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস ও সৌদি আরব। এর আগে গত মে মাসে ২০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ভারতের কেশর, আলফনসো, ল্যাংড়া এবং বঙ্গনপল্লি জাতের আমের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল জাপান।
রিপোর্টারের নাম 




















