ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

এক দশক ধরে ভাঙা সেতু, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার নেয়ামতপুর গ্রামে প্রায় এক দশক ধরে একটি ভাঙা সেতুর কারণে হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। গ্রামটির প্রধান সড়ক যোগাযোগের এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি ভেঙে খালে পড়ে যাওয়ায় সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় থেকে দশ বছর আগে সেতুটি ভেঙে যায়। এরপর এলাকাবাসী নিজস্ব অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে একটি কাঠের সাঁকো নির্মাণ করেন। সম্প্রতি সেই সাঁকোটিও ক্ষতিগ্রস্ত হলে গ্রামবাসী আবারও স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে এটি মেরামত করে কোনোমতে যোগাযোগ সচল রেখেছেন। তবে এই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন শিশু, শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্কদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী ও শিক্ষক যাতায়াত করেন। এছাড়া কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজেও এটি তাদের প্রধান ভরসা। সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এলাকাবাসী বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে যোগাযোগ করেও কোনো ফল পাননি এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

নেয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দারা ভেঙে পড়া সেতুটি অপসারণ করে দ্রুত একটি টেকসই ও আধুনিক সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বিষয়টি একাধিকবার উপজেলা প্রশাসন ও প্রকৌশলী দপ্তরকে অবহিত করেছেন বলে জানান। কাঁঠালিয়া উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, সেতুটি ডিপিপিভুক্ত করা হয়েছে এবং অনুমোদন সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ভূমিকার গুরুত্ব অপরিসীম: সেলিম উদ্দিন

এক দশক ধরে ভাঙা সেতু, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

আপডেট সময় : ১০:২৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার নেয়ামতপুর গ্রামে প্রায় এক দশক ধরে একটি ভাঙা সেতুর কারণে হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। গ্রামটির প্রধান সড়ক যোগাযোগের এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি ভেঙে খালে পড়ে যাওয়ায় সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় থেকে দশ বছর আগে সেতুটি ভেঙে যায়। এরপর এলাকাবাসী নিজস্ব অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে একটি কাঠের সাঁকো নির্মাণ করেন। সম্প্রতি সেই সাঁকোটিও ক্ষতিগ্রস্ত হলে গ্রামবাসী আবারও স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে এটি মেরামত করে কোনোমতে যোগাযোগ সচল রেখেছেন। তবে এই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন শিশু, শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্কদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী ও শিক্ষক যাতায়াত করেন। এছাড়া কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজেও এটি তাদের প্রধান ভরসা। সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এলাকাবাসী বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে যোগাযোগ করেও কোনো ফল পাননি এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

নেয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দারা ভেঙে পড়া সেতুটি অপসারণ করে দ্রুত একটি টেকসই ও আধুনিক সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বিষয়টি একাধিকবার উপজেলা প্রশাসন ও প্রকৌশলী দপ্তরকে অবহিত করেছেন বলে জানান। কাঁঠালিয়া উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, সেতুটি ডিপিপিভুক্ত করা হয়েছে এবং অনুমোদন সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।