বর্তমান সময়ে প্রতিটি পরিবারেই একটি সাধারণ চিত্র চোখে পড়ে—বাবা-মা ব্যস্ততার মাঝে শিশুকে শান্ত রাখতে বা খাওয়ানোর কৌশল হিসেবে স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। প্রযুক্তির এই সহজলভ্য ডিভাইসটি শিশুদের বিনোদন ও শিক্ষার অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠলেও এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
স্মার্টফোনের ইতিবাচক দিকগুলোও অস্বীকার করার উপায় নেই। বিশেষ করে দূরশিক্ষণ, সৃজনশীল অ্যাপস এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শেখার ক্ষেত্রে প্রযুক্তি এক বৈপ্লবিক ভূমিকা পালন করছে। সঠিক নির্দেশনায় এটি শিশুর মেধা ও ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে। তবে এর অত্যধিক ব্যবহার শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ও সামাজিক দক্ষতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে কি না, তা নিয়ে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার সময় এসেছে। প্রযুক্তির সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।
রিপোর্টারের নাম 
























