দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কবলে পড়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই সংকটের মধ্যেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনমনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এমন কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতায় আসন্ন অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, নতুন বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং ঋণ পরিশোধের চাপ সামলানোই হবে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে মূল্যস্ফীতির হার ঊর্ধ্বমুখী। জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি কৃষি, শিল্প ও পরিবহনসহ প্রতিটি খাতে উৎপাদন ও সেবা খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে, যার চূড়ান্ত প্রভাব পড়ছে সাধারণ ভোক্তার ওপর। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, ডলারের মান ও আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে। এমতাবস্থায়, বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারকে অত্যন্ত সতর্ক ও কৌশলী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
রিপোর্টারের নাম 
























