মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

আগস্টের প্রথম ৫ দিনে দেশে ৬০২ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই প্রবাসী আয়ের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। আগস্ট মাসের প্রথম পাঁচ দিনে দেশে ৬০২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৮৩.৭ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ৪ ও ৫ আগস্ট—এই দুই দিনেই প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে, অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত, মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩.৪৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ২.৮০৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৫ আগস্ট পর্যন্ত, এক বছরের ব্যবধানে মোট রেমিট্যান্স প্রবাহে ২৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয় পাঠানোর প্রবণতা অব্যাহত থাকায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ আরও শক্তিশালী হচ্ছে। এটি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ: ঢাবির বিজয় একাত্তর হল থেকে শিবিরের সাবেক কর্মী বহিষ্কৃত

আগস্টের প্রথম ৫ দিনে দেশে ৬০২ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স

আপডেট সময় : ০২:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই প্রবাসী আয়ের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। আগস্ট মাসের প্রথম পাঁচ দিনে দেশে ৬০২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৮৩.৭ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ৪ ও ৫ আগস্ট—এই দুই দিনেই প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে, অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত, মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩.৪৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ২.৮০৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৫ আগস্ট পর্যন্ত, এক বছরের ব্যবধানে মোট রেমিট্যান্স প্রবাহে ২৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয় পাঠানোর প্রবণতা অব্যাহত থাকায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ আরও শক্তিশালী হচ্ছে। এটি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।