বিশ্ব মাসিক স্বাস্থ্যবিধি দিবস অতিবাহিত হলেও আমাদের সমাজে নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে রয়ে গেছে নানা অস্বস্তি ও কুসংস্কার। পিরিয়ড কোনো রোগ নয়, বরং এটি একটি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। অথচ আজও অনেক কিশোরী ও নারী এই সময়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সামাজিক সংকোচের মুখোমুখি হয়, যা তাদের দৈনন্দিন জীবন ও শিক্ষার পথকে বাধাগ্রস্ত করছে।
আমাদের সংবিধানে নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু স্যানিটারি সামগ্রীর অভাব বা বিদ্যালয়ে অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবস্থার কারণে অনেক কিশোরী ক্লাসে অনুপস্থিত থাকছে। জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে নারী স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা অপরিহার্য। মাসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা কেবল ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এটি নারীর মানবাধিকার এবং জাতীয় প্রগতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই এই বিষয়ে সামাজিক জড়তা কাটিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে নীতিনির্ধারক ও সমাজকে আরও সক্রিয় হতে হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























